
#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ পুরীর জগন্নাথ ধাম দর্শন ও সমুদ্রভ্রমণ—বাঙালির আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই দুই আকর্ষণকে আরও সহজলভ্য করে দিল বেঙ্গালুরু–রাধিকাপুর নতুন এক্সপ্রেস ট্রেন। এই ট্রেন চালু হওয়ায় উত্তর দিনাজপুর সহ উত্তরবঙ্গের বহু যাত্রীর কাছে পুরী যাত্রা হয়ে উঠল অনেকটাই সহজ ও সুবিধাজনক। বিশেষ করে রায়গঞ্জবাসীর কাছে এটি এক সুবর্ণ সুযোগ বলেই মনে করছেন রেলযাত্রীরা।

রেল সূত্রে জানা গেছে, 16224 রাধিকাপুর–এসএমভিবি (বেঙ্গালুরু) এক্সপ্রেস বিকেল চারটার আশেপাশে খুরদা রোড জংশনে পৌঁছবে। অন্যদিকে, 16223 এসএমভিবি–রাধিকাপুর এক্সপ্রেস সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার কাছাকাছি খুরদা রোড জংশন থেকে রওনা দেবে। এই সময়সূচির ফলে খুরদা রোডে নেমে সহজেই পুরীমুখী সংযোগ ট্রেন ধরা সম্ভব হচ্ছে।

রায়গঞ্জ থেকে যাত্রীরা রাধিকাপুর–বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেসে খুরদা রোডে নেমে সেখান থেকে ১২৮২১ হাওড়া–পুরী ধৌলি এক্সপ্রেস ধরলেই সরাসরি পৌঁছে যেতে পারবেন পুরীতে। আবার ফেরার সময় পুরী থেকে ৬৮৪১৪ পুরী–তালচের মেমু ধরে খুরদা রোডে এসে, সেখান থেকে বেঙ্গালুরু–রাধিকাপুর এক্সপ্রেসে উঠে সোজা রায়গঞ্জ ফেরা যাবে।

এই নতুন রেল-সংযোগে সময় ও ভোগান্তি দুটোই কমবে বলে মত যাত্রীদের। তীর্থভ্রমণ থেকে পর্যটন—সব মিলিয়ে পুরীর জগন্নাথ ধাম ও সমুদ্র যেন আরও কাছে চলে এল বাঙালির। তাই নতুন এই ট্রেন পরিষেবাকে ঘিরে খুশির হাওয়া বইছে আপামর বাঙালির মধ্যে, বিশেষত ‘পুরি লাভার’-দের কাছে। গৌতম বসাক নামে এক বাসিন্দা বলেন, এর আগে রায়গঞ্জ থেকে কোলকাতা, সেখান থেকে হাওড়া স্টেশন, তারপর আবারও অপেক্ষা করে পুরীর ট্রেন ধরতে হত। ভীষণ খুশী হয়েছি।








