
#মালবাজার: এই সময় চিতাবাঘের প্রজনন ঋতু বলে জানা যায়। এই এই সময় সঙ্গিনী দখলের লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে পুরুষ চিতাবাঘ। পরস্পর হানাহানিতে কেউ মারা পড়ে কেউ আবার জখম হয়। এইরকম ভাবে মেটেলি ব্লকের নাগেশ্বরী চা বাগানে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে উদ্ধার হল মৃত ও জখম চিতাবাঘ। মঙ্গলবারের পর বুধবার সকালে ফের একটি আহত চিতাবাঘ উদ্ধার করা হলো নাগেশ্বরী চা বাগান থেকে।

এদিন সকালে নাগেশ্বরী চা বাগানের ৪ নম্বর সেকশন একটি নালার মধ্যে ওই চিতা বাঘটিকে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে এলাকার জনগণ। খবর চাউর হতেই বহু মানুষের ভিড় হয় এলাকায়। খবর দেওয়া হয় বনদপ্তরের খুঁনিয়া স্কোয়ার্ডে । সেখান থেকে বনকরীবীরা এসে আহত চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য লাটাগুরি প্রকৃতি বিক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নাগেশ্বরী চা বাগানের ২০ নম্বর সেকশনে একটি পুর্ন বয়স্ক পুরুষ চিতাবাঘের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই চিতাবাঘটির ময়না তদন্তের পর বনদপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, পরস্পর লড়াইয়ে ওই চিতাবাঘটির মৃত্যু হয়েছে। এদিন আহত অবস্থায় উদ্ধার চিতাবাঘের সাথে মৃত ওই চিতাবাঘের লড়াই হয়েছে কিনা সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে বনদপ্তর। এদিকে দুইদিনে দুই চিতা বাঘ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র চা বাগানে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে নাগেশ্বরী চা বাগানে চিতা বাঘের আক্রমণে জখম হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি বনদপ্তর খাঁচা পেতে একাধিক চিতাবাঘ ধরেছে।

কয়েকদিন আগে এইরকম একটি চিতাবাঘের দেহ উদ্ধার হয়েছিল কুমলাই বাগানে।
পরিবেশ প্রেমী মানবেন্দ্র দে সরকার বলেন, সঙ্গিনী ও এলাকা দখলে তাগিদে চিতাবাঘের মধ্যে পরস্পর লড়াই হতে দেখা যায়। হিংসাত্মক সেই লড়াইয়ে এইরকম ভাবে জখম ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ সময় চা বাগানের শ্রমিকদের সতর্কভাবে চলাফেরা করা দরকার।








