
#রায়গঞ্জঃ রায়গঞ্জ ব্লকের ১১ নং বীরঘই ও ১২ নং বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতকে পুনরায় রায়গঞ্জ বিধানসভা এলাকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদনের উদ্যোগ নিতে চলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দা মুক্তার আলি বলেন, ২০১১ সালে কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তির উদ্যোগে এই দুটি পঞ্চায়েতকে অন্যায়ভাবে রায়গঞ্জ বিধানসভা থেকে বিচ্ছিন্ন করে কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এতে সাধারণ মানুষের নানান প্রশাসনিক ও সামাজিক অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দা তপেশ বর্মনের দাবি, রায়গঞ্জ ব্লকের বিডিও অফিস, জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় — সবই এই দুই পঞ্চায়েত থেকে কয়েকশো মিটারের দূরত্বে অবস্থিত। তবুও এত কাছাকাছি থাকা সত্ত্বেও তাদের কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় যুক্ত করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও মানুষের অসুবিধাজনক।

বড়ুয়ার বাসিন্দা মলিন রায় বলেন,
এই সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ মানুষকে প্রশাসনিক কাজকর্ম, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও শিক্ষাগত সুবিধা পেতে নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। তাই সকলে মিলে ফের রায়গঞ্জ বিধানসভার অন্তর্ভুক্তি চেয়ে আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

১১ নং বীরঘই ও ১২ নং বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের জনগণের পক্ষ থেকে আবেদনপত্রে অনুরোধ জানানো হয়েছে, নির্বাচন কমিশন যেন দ্রুত হস্তক্ষেপ করে দুটি পঞ্চায়েতকে পুনরায় রায়গঞ্জ বিধানসভা এলাকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। আবেদনে কাজ না হলে, দলমত নির্বিশেষে জাতীয় সড়ক অবরোধ করবেন বলে জানালেন মুক্তার সাহেব। স্থানীয়দের আশা, কমিশনের সদয় বিবেচনায় এই দীর্ঘদিনের অন্যায় অবসান হবে এবং তারা আবারও রায়গঞ্জ বিধানসভা এলাকার অন্তর্ভুক্ত হবেন।








