#মালবাজার: হরপা বানের আশঙ্কায় নিরাপত্তার কারনে মাল ও চেল নদীতে হাইড্রা ও জেসিবি মেসিনের সাহায্যে প্রতিমা নিরঞ্জন। দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের সময় এলেই মালবাজার শহরের মানুষের ২০২২ সালের কথা মনে পড়ে। সেদিনের প্রতিমা নিরঞ্জন ঘাটে সন্ধ্যা বেলা আচমকা হড়পা বানে প্রাণ হারিয়েছিল আটজন। জখম হয়েছিল ১৪ জন। সেই স্মৃতি মনে পড়তেই অনেকেই শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন।

তারপর থেকেই প্রশাসনের কর্তারা দুর্ঘটনা এড়াতে বিসর্জন ঘাটে নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখে আসছেন। বিসর্জন ঘাটে ভিড় এড়াতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। চলতি বছর বিসর্জনের আগে জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপার সহ অন্যান্যরা ঘাটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। বিসর্জন ঘাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেন। এরই মাঝে নবমীর দুপুরে আচমকা হড়পা বান নেমে নেমে আসে মাল্ নদীর বুকে। ভাসিয়ে নিয়ে যায় বিসর্জন ঘাটের লাইট লাগানোর বাসের স্ট্রাকচার। নবমীর ওই পরিস্থিতি দেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নিরাপত্তা নিশ্চিদ্র করতে বিপর্যয় মোকাবিলা দলের কর্মীদের মতায়ন করা হয়।

পর্যাপ্ত পুলিশ, পৌরসভার কর্মী সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মীরা ঘাটে উপস্থিত ছিলেন। পূজা কমিটিগুলোর শোভাযাত্রা দমকল কেন্দ্র পর্যন্ত গিয়ে থেমে যায়। তারপর বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা হাইড্রা মেশিনের সাহায্যে প্রতিমা নিরঞ্জন এর ব্যবস্থা করে। সাধারণ মানুষদের নদীতে নামবে দেওয়া হয়নি। এভাবেই মাল নদীর ঘাটে গভীর রাত পর্যন্ত চলে বিসর্জন।

ওদলাবাড়ি এল নদীর ঘাটেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছিল প্রশাসন। সেখানে জেসিবি মেসিনের সাহায্যে প্রতি প্রতিমা নিরঞ্জন হয়েছে। এবছর প্রতিটি নিরঞ্জন ঘাটে শান্তিতেই বিসর্জন হয়েছে কোন প্রকার কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।









