#মালবাজার: দলের নবনির্বাচিত পদাধিকারীদের সংবর্ধনা সভায় বিদায়ী ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি বিরুদ্ধে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিলেন দলের অঞ্চল সভাপতি। এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের আভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল আর একবার সামনে এলো। মাত্র কিছুদিন আগেই, মাল ব্লকের বিভিন্ন দলীয় নেতৃত্বের পথ বদল হয়েছে। নবনিযুক্ত দলীয় নেতৃত্বদের সংবর্ধনা জানাতে রবিবার ডামডিম অঞ্চলে এক সভার আয়োজন করেন দলের অঞ্চল সভাপতি নবীন টোপ্পো।

সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ এবং আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক বুলু চিকবাড়াইক, ব্লক সভাপতি জিতনি মাহালি, ব্লক যুব সভাপতি আরমান আরসাদ, জেলা পরিষদের সদস্যা পুর্নিমা টার্কি মাহালী প্রমুখ। সেই সম্বর্ধনা সভায় বিদায়ী ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি সুশীল কুমার প্রসাদের বিরুদ্ধে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দেন নবীন টোপ্পো।

নবীন টোপ্পো বলেন, আমি তিন বছর যাবৎ অঞ্চল সভাপতি আছি আমাকে কোন কাজ করতে দেয়নি সুশীল কুমার প্রসাদ। শুধু তাই নয়, তিনি আদিবাসী এর বিরুদ্ধে আদিবাসীকে উসকে দিয়েছেন, বিহারীর বিরুদ্ধে বিহারীকে উস্কে দিয়েছেন, মুসলমানের বিরুদ্ধে মুসলমানকে উসকে দিয়েছেন। এভাবেই রাজনীতি করেছেন। উনি সব বিষয়ে দাদাগিরি করে গেছেন।

এ নিয়ে সুশীল কুমার প্রসাদ জানান, সম্বর্ধনা সভা একবার হয়ে গেছে। আবার নতুন করে করার প্রয়োজন ছিল না। নবীন টোপ্পো যা বলেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য মূলক। মন্ত্রীর সামনে যখন এই কথাগুলো বলা চলছে তখন মন্ত্রী মহোদয়ের প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। গত কয়েক বছর গোটা মাল ব্লকে আমি যেভাবে কাজ করেছি তাতে প্রত্যেকটা ব্লক কর্মী জানেন।
মন্ত্রী বুলু চিকবাড়াইক এই ঘটনার পর জানান, আজকের সভায় সুশীল বাবুকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

হয়তো কোন কাজের জন্য ব্যস্ত থাকায় আসতে পারেনি। হবে আমাদের দলের পক্ষ থেকে একটাই বক্তব্য, আগামী দিনে দল যাকেই প্রার্থী করুক না কেন আমরা সবাই মিলে সেই প্রার্থীকে জিতিয়ে আনার চেষ্টা চালাবো। সেজন্যে সবাই একসাথে হয়ে ময়দানে নামতে হবে। এখানে কোন বিভেদ বা কোন্দল নেই।








