
#মুর্শিদাবাদঃ রাজনীতির মঞ্চে অনেকে ‘হিরো’ হলেও, মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা এবার যেন নায়ক থেকে রীতিমতো ‘অ্যাকশন-কমেডি’ ছবির চরিত্রে পরিণত হলেন। SSC নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সোমবার সকাল থেকেই চার জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। এরমধ্যে বড়ঞার বাড়িতেই হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর তখনই শুরু হল টলিউডের ছবিকেও হার মানানো দৃশ্য!

ইডির গাড়ি আর আধিকারিকদের দেখে হঠাৎই ‘স্প্রিন্টার মোডে’ চলে যান সাহা। কখনও এদিকে, কখনও ওদিকে ছুটছেন। শুধু তাই নয়, নিজের ফোন লুকোতে গিয়ে একেবারে ঝোপে ছুড়ে ফেলেন— যেন কোনো ক্রিকেটার ফিল্ডিং প্র্যাকটিস করছেন! তবে ইডি-র আধিকারিকরাও যে আর সাধারন দর্শক নন— তারা মাটি-ঝোপ সব খুঁজে বের করে বাজেয়াপ্ত করেন সেই মোবাইল।

অভিযোগ এখানেই থেমে থাকেনি। বাড়ির পিছনের পাঁচিল টপকে ‘গ্রেট এস্কেপ’-এর চেষ্টা করতেই শেষমেশ হাতে-নাতে ধরা পড়েন বিধায়ক। এলাকাবাসীর কথায়, “এমন দৃশ্য আমরা শুধু সিনেমায় দেখতাম, আজ বাড়ির সামনেই সরাসরি লাইভ শো দেখতে পেলাম।”

উল্লেখ্য, এর আগেও সিবিআই তল্লাশির সময় নিজের ফোন পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এখন নতুন জল্পনা— মোবাইল ফোন লুকোনোর এই অনবদ্য কৌশলের জন্য কি তিনি আলাদা কোনো পুরস্কার পেতে চলেছেন? মুর্শিদাবাদে অবশ্য এখন একটাই আলোচনা— “বিধায়কের কাছে যদি এত শক্তি থাকে, তবে অলিম্পিকে ‘হাই জাম্প’-এর জন্যও কি নাম লেখানো উচিত নয়?”








