
#কলকাতা: রাজনীতির ময়দান থেকে নব্য শিক্ষকদের দূরে থাকতে হবে। বুধবার রাজ্য সরকারের ক্যাবিনেটে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার এই রাজ্য মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তকে ঘিরে শিক্ষা মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা। যদিও রাজ্যের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শিক্ষক মহাসংঘের রাজ্য সম্পাদক বাপী প্রামাণিক। তাঁর মতে, শিক্ষকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শিক্ষাদান, ছাত্রছাত্রীদের নৈতিক বিকাশ এবং শিক্ষাঙ্গনের সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখা।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা মহলে বিতর্ক রয়েছে। শিক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বারবার। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শিক্ষক মহাসংঘের রাজ্য সম্পাদকের সমর্থন এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট বিষয়বস্তু, কার্যকর করার পদ্ধতি এবং শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নোটিফিকেশন সামনে এলে আরও স্পষ্ট হবে।

শিক্ষক মহলের একাংশের মতে, শিক্ষাঙ্গনে পঠনপাঠনের পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখা এবং শিক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিস্থিতি তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। সেই লক্ষ্যেই রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে শিক্ষার স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ABRSM এর রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপী প্রামাণিক বলেন, “চাই শিক্ষাঙ্গন রাজনীতির প্রভাবমুক্ত থাকুক। শিক্ষকরা সমাজ গঠনের কারিগর। তাঁদের প্রধান দায়িত্ব ছাত্রছাত্রীদের সঠিক শিক্ষা দেওয়া এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলা। শিক্ষকতার পেশার মর্যাদা রক্ষা করতে হলে শিক্ষকদের শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।”




