#মালবাজার: তার জন্ম ১৯৮৮ সালে মাল গ্রামীণ হাসপাতালে। তার বাবা-মা দীর্ঘদিন যাবত নিখোঁজ। ঠাকুরদা ঠাকুমার কাছের মানুষ হয়েছেন। ঠাকুরদা ঠাকুরমা মালবাজার শহরের দীর্ঘদিনের বাসিন্দা ছিলেন। তার হাতে রয়েছে জন্মের শংসাপত্র, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র। এসব নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও এস আই আর শুনানিতে তার নাম নথিভুক্ত হলো না শুধু মাত্র মা-বাবার ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকায়।

হয়তো তার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে তার নাম এমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এহেন এক যুবকের নাম সঞ্জয় দত্ত। তার বাড়ি মালবাজার শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রমোদ নগর কলোনিতে। নিজের বার্থ সার্টিফিকেট ভোটার কার্ড আধার কার্ড দেখিয়ে বলেন, আমার সমস্ত রকম নথি রয়েছে। আমরা ছোট থাকতে আমার বাবা মা নিরুদ্দিষ্ট হয়ে যায়। দাদু যার কাছে মানুষ হয়েছি। এই শহরেই বাস করি অথচ ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আমার মা-বাবার নাম না থাকায় আমার শুনানি গ্রাহ্য হয়নি।

মায়ের ভোটার কার্ড দেখালেও আধিকারিকরা মানতে চায়নি। এর মত অবস্থায় আমি কি করবো। আমার দাদার জন্ম ১৯৮৭ সালে তার নথি গ্রাহ্য হয়েছে। আমার জন্ম ১৯৮৮ সালে বলে গ্রাহ্য হয়নি। নিয়ে জানতে যাওয়া হলে বিডিও অফিসের এক আধিকারিক জানান, ১৯৮৭ সালের পর যাদের জন্ম হয়েছে তাদের মা-বাবার নথি এবং ভোটার তালিকায় নাম থাকা আবশ্যিক।এরকম নির্দেশিকা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

এ নিয়ে ক্ষোভ ব্যাক্ত করে মাল টাউন তৃণমূল সভাপতি পুলিন গোলদার বলেন, নির্বাচন কমিশন শুনানিতে তিনটি ক্যাটাগরি ভাগ করেছে। ১৯৮৭ সালের আগে যাদের জন্ম তাদের নিজস্ব নথি থাকলেই হবে। ৮৭ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত যাদের জন্ম তাদের পিতা অথবা মাতার নথি অবশ্য ভাবেই লাগবে। তারপর যাদের জন্ম হয়েছে তাদের বা পিতামাতার নথি অবশ্য ভাবেই লাগবে। এই নিয়মের হবে বহু বৈধ ভোটার যাদের এদেশে জন্ম তাদের নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এক মারাত্মক সমস্যা তৈরি করবে।








