
#মালবাজার: দীর্ঘ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ জানিও কোন লাভ না হওয়ায় অবশেষে গ্রামের মানুষেরাই চেল নদীতে গিয়ে খনন কার্য বন্ধ করে দিল।থামিয়ে দিল বালিপাথর তোলার কাজ। ঘটনাটি ঘটেছে মাল ব্লকের চেল নদীর আপার স্টিম এলাকায়। ঘটনায় সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হয় চেল নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকায়।

মঙ্গলবার সকাল থেকে চেল নদীর পার্শ্ববর্তী গ্রাম চেল বস্তি বহু মানুষজন জেল নদীতে এসে বিক্ষোভ শুরু করেন। সেই সময় নদীতে বেশ কিছু জেসিপি নদী খুঁড়ে বালি পাথর উত্তোলন করছিল বলে অভিযোগ। গ্রামের মানুষ তড়িঘড়ি সেইসব কাজকর্ম বন্ধ করে দেয় এলাকার বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।

এলাকার মানুষ টিঙ্কু বিশ্বকর্মা, মেনুকা প্রধান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চেল নদী উজানে রাত থেকেই নদী ক্ষরণ শুরু হয়। যেহেতু গ্রামের পাশেই এই খনন হয় তাই রাতের বেলায় প্রচন্ড শব্দে ঘুমানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। পাশাপাশি বর্তমানে নদীতে নদীর স্বাভাবিক গভীরতা থেকে আরো ১৫ ফিট-গভীরতা করে চলছে খনন কার্য।। যার ফলে আশেপাশে গ্রামগুলোর ওর জল শুকিয়ে যাচ্ছে। নদীতে খননের ফলে সমস্ত জল নদীর ডাউন স্টিমে চলে আসায় কুয়োর জল গুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। সমস্যায় পড়ছেন আশেপাশে গ্রামগুলোর মানুষ। এ ব্যাপারে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে জানিও কোন লাভ হয়নি বাধ্য হয়ে দিন সকাল থেকে আমরা বিক্ষোভ দেখাই এবং নদী খনন বন্ধ করে দেই। দ্রুত প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হাঁটবো আমরা বলে গ্রামবাসীরা জানান।

চেল বস্তির আরেক বাসিন্দা প্রকাশ বিশ্বকর্মা বলে গত তিনদিন আগেও আমরা এলাকায় এসে নদী খনন বন্ধের কথা জানাই কিন্তু, কোন কর্ণপাত করছে না কিছু ব্যবসায়ী। এইভাবে খন্ডনের পরে বিভিন্ন বাড়ির কুয়োর জল শুকানোর পাশাপাশি কৃষি জমি গাছপালা মরে যাচ্ছে। এইভাবে চলতে থাকলে চরম সমস্যায় ভুগবো আমরা তাই দ্রুত প্রশাসন জানাচ্ছি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য

ওদলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের এই এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য কুসুম রায় বলেন দীর্ঘদিন ধরে এভাবে অবৈধ খননের ফলে জলের সমস্যা দেখা দিয়েছে চেল বস্তি, ক্ষুদিরামপল্লী রেল বস্তি সহ বিভিন্ন এলাকায়। প্রত্যেকটা বাড়ির কুয়োর জল শুকিয়ে গেছে। তার প্রধান কারণ নদীতে অতিরিক্ত খনন। প্রতিনিয়ত নদী থেকে অবৈজ্ঞাণিক পদ্ধতিতে বালি পাথর তোলার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বারবার বলার পরও কিছু মানুষ তা কান্না কর্ণপাত করছে না। এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও সব জানানো হবে বলে তিনি জানান।






