Explore

Search

August 9, 2026 3:17 pm

IAS Coaching

১১ অধ্যাপককে সার্টিফিকেট অফ অ্যাকাডেমিক এক্সিলেন্স, তীব্র গুঞ্জন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে

#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ৫ই জানুয়ারি প্রদান করা হতে চলেছে Certificate of Academic Excellence। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মোট ১১ জন অধ্যাপককে এই সম্মাননা দেওয়া হবে। তালিকায় রয়েছেন— মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক প্রদীপ কুমার দাস মহাপাত্র, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক তৃপ্তি ধর, সেরিকালচার বিভাগের অধ্যাপক অমিত কুমার মণ্ডল, বোটানি বিভাগের অধ্যাপক পরিমল মণ্ডল, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ড. হিরন্ময় সরকার, ড. সৈয়দ মদিনূর রহমান ও ড. শুভঙ্কর ঘরাই, গণিত বিভাগের ড. রিপন সাহা, ভূগোল বিভাগের ড. তাপস পাল এবং ড. সঞ্জীব কুমার এবং আইন বিভাগের অধ্যাপক ভূপাল ভট্টাচার্য।

তবে এই ঘোষণা সামনে আসতেই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে শুরু হয়েছে তীব্র গুঞ্জন ও প্রশ্নের ঝড়। একাধিক ছাত্রছাত্রী, গবেষক ও অধ্যাপকদের মধ্যে ক্ষোভ স্পষ্ট। তাঁদের প্রশ্ন— কোন কমিটির ভিত্তিতে এই নির্বাচন? কোন বছরের একাডেমিক কাজের জন্য এই সম্মাননা? গবেষণা প্রকাশনা কি আদৌ মূল্যায়নের প্রধান মাপকাঠি ছিল? এমনকি এমনও অভিযোগ উঠছে যে, যাঁরা নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না, তাঁরাও Academic Excellence 2025 সার্টিফিকেট পাচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরমহলে শোনা যাচ্ছে, মনোনীতদের মধ্যে কয়েকজন নিঃসন্দেহে যোগ্য হলেও, অনেকেই গবেষণা প্রকল্পের অর্থ নির্ধারিত সময়ে খরচ বা কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেননি। তা হলে কোন যোগ্যতায় তাঁরা এই সম্মাননা পাচ্ছেন— সেই প্রশ্ন উঠছে জোরালোভাবে। কে বা কারা মনোনয়ন করলেন, আদৌ কি বায়োডাটা ও সামগ্রিক একাডেমিক অবদানের ভিত্তিতে এই নির্বাচন— তা নিয়েও স্পষ্ট কোনও তথ্য সামনে আসেনি।

আরও একটি বড় প্রশ্ন উঠেছে ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থ নিয়ে। এই ধরনের সম্মাননা প্রদানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের বাস্তব লাভ কী— তা নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বহু অধ্যাপক ও গবেষক এই সম্মাননা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ সংখ্যা গরিষ্ঠ অধ্যাপকদের।

সব মিলিয়ে, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে চাপা অসন্তোষের সুর। একাংশের মতে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার অভাব থাকলে এই ধরনের সম্মাননা একাডেমিক মর্যাদার বদলে বিতর্কই বাড়াবে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. দুর্লভ সরকার বলেন, আমার কানেও এমন গুঞ্জনের ঘটনা সামনে এসেছে। তাই প্রথমে ১০ জনকে সম্মাননা প্রদান করার কথা থাকলেও পরে আরও ১ অধ্যাপককে সম্মাননা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

এক্ষেত্রে, যে অধ্যাপক সবচেয়ে বেশি অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডে প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর হিসেবে এনেছেন, তাদেরকেই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে হলেও রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে এবারই প্রথম হচ্ছে। তিনি আরও জানান, সিলেকশন নিয়ে অভিযোগ আমার কানে এসেছে, তাই আমি আবারও খোঁজ নেব।

Advertisement
Live Cricket Score
upskillninja