
#মালবাজার: টানা ৩৩ দিন বাদে অবশেষে বন্যা দুর্গত পরিবার রাজু মাহালির গরুকে মেরে ফেলা সেই ঘাতক চিতাবাঘটি বনদপ্তরের পেতে রাখা খাচায় ধরা পড়ল।শনিবার সন্ধ্য সাতটা নাগাদ চিতাবাঘটি ধরা পড়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে খুনিয়া রেঞ্জের বনকর্মিরা চলে এসে তারা চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করে লাটাগুড়ি প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে যায়।

উল্লেখ্য গত পাচ অক্টোবর বিধ্বংসী বন্যায় বামনডাঙ্গা মডেল ভিলেজের সাথে বিচ লাইন শ্রমিক মহল্লার রাজু মাহালির বাড়িও ভেসে যায়। ৬ অক্টোবর থেকে রাজু মাহালি ফ্যাক্টরির কাছে বামনডাঙ্গা চাবাগানের প্রাইমারি স্কুলে তার পরিবারকে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। কয়েকটি গরু তার ভেসে গিয়েছিল। বেচে ছিল একটি গরু। সেই গরুটিকে স্কুলের বারান্দায় বেধে রেখেছিল রাজু মাহালি।

কিন্তু, পরদিন ৭ অক্টোবর রাতে চিতবাঘ তার গরুটিকে তুলে নিয়ে খেয়ে ফেলেছিল। সেদিনের পর থেকেই পাশেই চাবাগানের গুয়াবাড়ি সেকশনে ছাগলের টোপ দিয়ে খাচা পেতে রেখেছিল বনকর্মিরা। শনিবার সন্ধ্যায় সেই ছাগল খেতে এসে খাচায় বন্দী হয়ে যায় চিতাবাঘটি।

বামনডাঙ্গা চাবাগানের ম্যানেজার সুরোজিত গাঙ্গুলি বলেন, চিতাবাঘটি ধরা পড়ার ঘটনায় আমরা অনেকটাই স্বস্তি পেলাম।ভীষণ আতঙ্কে ছিলাম। খুনিয়া রেঞ্জের রেঞ্জার সজল কুমার দে বলেন, চিতাবাঘটিকে লাটাগুড়ি প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হবে।








