
#মালবাজার: গত ৬ অক্টোবর বন্যা পড়িতদের ত্রান-সাহায্য করতে এসে নাগরাকাটার বামনডাঙ্গা এলাকায় আক্রমণের শিকার হন উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু ও শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ। আক্রমণের জেরে সাংসদের মাথা ফাটে রক্ত ঝরতে থাকে। আহত হন বিধায়ক। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপির পক্ষ থেকে রাজ্য জুড়ে ধিক্কার জানায়। থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো হয়।

বৃহস্পতিবার একই ইসুতে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নাগরাকাটায় এসে
এক প্রতিবাদ র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। নাগরাকাটা স্টেশনের কাছ থেকে র্যালি শুরু হয় এবং থানার সামনে এসে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। সেই বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পুলিশ ও তৃণমূল কংগ্রেসের এডজাস্টমেন্ট এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হন।

তিনি বলেন, এটা একটা প্রাণনাশের চেষ্টায় হামলার ঘটনা। যে নয় জনের নামে এজাহার করা হয়েছে তারা কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। পুলিশ যাদের গ্রেপ্তার করেছে সেটা একটা এডজাস্টমেন্ট হ্যান্ডওভার। আক্রমণকারীরা বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী তাদের বাঁচাতে তৃণমূল কংগ্রেস ও পুলিশ মিলে একটা এডজাস্টমেন্ট হ্যান্ড ওভার হয়েছে।
বিধায়ক শংকর ঘোষ একজন শিক্ষক তার উপরে যেভাবে জুতোপেটা করা হয়েছে সেটা রাজ্যের সমস্ত শিক্ষকদের অপমান”।

এদিন এই ধিক্কার মিছিলে সামিল ছিলেন নাগ্রাকাটার বিধায়ক পুনা ভেংরা, সাংসদ মনোজ টিজ্ঞা সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন বিক্ষোভ সমাবেশে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বালি পাথর মাফিয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ঘটনায় যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বরা জড়িয়ে পড়েছেন সে নিয়ে সোচ্চার হোন।









