#মালবাজার: শনিবার রাতের প্রবল বন্যার পর বৃহস্পতিবার আরো এক মৃতদেহ উদ্ধার হল বামন নাঙ্গা চা বাগানের একটি ঝোপের মধ্যে থেকে। মৃতের নাম সরস্বতী বড়াইক (৪৭)।তার বাড়ি মডেল ভিলেজ এলাকায়। এই নিয়ে মডেল ভিলেজ, বামনডাঙ্গা টন্ডু এলাকায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১০। গতকাল এনডিআরএফ কর্মীরা তার দেহ খুজে পায়। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ জন। মডেল ভিলেজ এলাকার নেভিয়ার নায়েক নামের ১০ বছরের এক শিশু এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

অন্যদিকে কালিখোলা বস্তির হাকিমা বিবি নামের এক মহিলা শনিবার বন্যার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে পাশের কুচিডায়না নদীর প্রবল জলচ্ছাসে ওই মহিলা বেঁচে গিয়েছেন। এনডিআরএফ এবং সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা তার খোঁজ চালাচ্ছেন। শনিবার রাতে নাগরাকাটা ব্লকের গাথিয়া, কুচি ডায়না, কুর্তি, সুখানী নদীর প্রবল জলোচ্ছ্বাসে বন্যা পীড়িত হয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। ঘরবাড়ি ভেসে গেছে বহু মানুষের।

রবিবার সকাল থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ সাহায্য করা শুরু হয়। এরপর সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রাণ সাহায্য করা হয়েছে। জামাকাপড়, বেবি ফুড সহ অন্যান্য সামগ্রী সাহায্য দেওয়া হয়েছে। রান্না করা খাবার পরিবেশন করা হয়েছে। ত্রানের সমস্যা শুক্রবার বিশেষ করা যায়নি। প্রাণ সামগ্রী নিয়ে বিরোধীরাও অভিযোগ করেনি।

এখন ঘরে ফেরা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রবল জলোচ্ছ্বাসে মডেল ভিলেজ, বামনডাঙ্গা, টন্ডু, কালিখোলা বস্তি সহ বিভিন্ন এলাকায় বহু বাড়িঘর ভেসে গিয়েছে। সেই সব বাড়িঘর নিরাপদ করে বসবাসের উপযোগী করে তোলা সময় সাপেক্ষ। বন্যা পীড়িত বাসিন্দারা জানান, ত্রানের এখন বিশেষ সমস্যা হচ্ছে না। আর কতদিন ত্রাণ শিবিরে থাকতে হবে জানিনা। বাড়িঘর ভেসে গেছে। বাড়ির উঠানে জমা রয়েছে পলি। সব পরিষ্কার করে বসবাস করতে সময় লাগবে।









