#মালবাজার: নাগরাকাটা ব্লকের প্রত্যন্ত এলাকা বামনডাঙ্গা টন্ডু চাবাগান। এখানেই রয়েছে মডেল ভিলেজ শনিবার রাতে গোটা ডুয়ার্স ও ভুটানের পাহাড়ি এলাকায় প্রবল বর্ষণ হয়। যার জেরে ফুলেফেঁপেওঠে নাগরাকাটা ব্লকের গাঠিয়া, কুচিডায়না, কুর্তি নদী। নদীর প্রবল জলচ্ছাস নাগরাকাটার নন্দু মোর সহ বিভিন্ন এলাকায় ধংশলীল চালায়। এই তিন নদীর মিলিত জলস্রোত নাগরাকার দক্ষিণে গরুমারা বনাঞ্চল লাগোয়া টানাটানি ব্রিজ এলাকায় প্লাবিত করে।

ব্রীজের পূর্বাংশ বিধ্বস্ত করে টন্ডু এলাকার বেশ কিছু অংশ ও মডেল ভিলেজ এলাকা প্লাবিত করে। ব্রীজের পূর্বাংশ সম্পূর্ণ ঘটে যাওয়ায় নাগরাকাটার সংগে টন্ডু ও বামনডাঙ্গা চাবাগানের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গোটা এলাকার কয়েক হাজার মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি দেখে রবিবার থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়। যোগাযোগের জন্য সাময়িক বাশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। ট্যাক্টার অথবা জেসিবি দিয়ে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। মঙ্গলবার দেখা গেল বামনডাঙ্গা চা বাগানের কারখানায় অস্থায়ী ত্রান শিবির খোলা হয়েছে।

তদারকিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছেন জেলা শাসক শামা পারভিন, পুলিশ সুপার উমেশ গনপত খান্ডেবহালে, মাল মহকুমা শাসক শুভম কুন্ডাল সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। এদিন দুপুরে ত্রান শিবিরে বন্যা দুর্গতদের রান্না করা খাবার পরিবেশন করা হয়। খাওয়ার পরিবেশনের সময় দেখা যায় জেলা পুলিশ সুপার নিজেই খিচুড়ির বালতি হাতে নিয়ে আন্তরিক ভাবে পরিবেশন করছেন।

এছাড়াও বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ত্রান-সাহায্য দেওয়া হয়েছে মডেল ভিলেজ এলাকায়। টানাটানি ব্রিজ এলাকায় দেখা গেল ত্রানের বস্তা কাঁধে দিয়ে অস্থায়ী বাঁশের সাকো পেরিয়ে অনেকে যাতায়াত করছেন। অন্যদিকে নাগরাকাটা ব্লকের কালিখোলা ঝোড়া এলাকায় জাতীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে মঙ্গলবার পর্যন্ত যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।









