
#চন্দ্র নারায়ণ সাহাঃ শরতের রোদে স্নাত হয়ে একেবারে ঝকঝকে হয়ে উঠল উত্তরবঙ্গের আকাশ। সাদা তুলোর মতো মেঘের ফাঁক দিয়ে ভেসে উঠল মহিমান্বিত কাঞ্চনজঙ্ঘা সহ স্লিপিং বুদ্ধ। শুক্রবার সকাল থেকেই দার্জিলিং, কালিম্পং, সিকিম ছাড়াও উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার সমতল এলাকা থেকেও চোখে পড়ল কাঞ্চনজঙ্ঘার অপূর্ব দৃশ্য। আর তা দেখতে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা উত্তরবঙ্গবাসী।

কোচবিহারের সুপ্রতীক সোম বলেন, অনেকদিন ধরেই আবহাওয়া খারাপ থাকায় পাহাড়ের সেই তুষারশৃঙ্গকে দেখা যাচ্ছিল না। কিন্তু শরতের প্রথম দিকের নির্মল আকাশ যেন আবার ফিরিয়ে দিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রূপ। সকাল থেকে বহু মানুষই ছাদে উঠে কিংবা খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সেই ছবিগুলি। জলপাইগুড়ি থেকে গৌতম মাহাতো বলেন, নীল আকাশে বুকে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা আসন্ন পুজোর আনন্দ দ্বিগুন করে দিল। ডালখোলা থেকে রজত দাস বলেন, আজ খালি চোখে এত সুন্দর দৃশ্য দেখে মন ভরে গেছে।

পর্যটন শিল্পের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে এই দৃশ্য। স্থানীয় হোটেল মালিকরা জানিয়েছেন, “কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য পাওয়া মানেই পর্যটকদের কাছে বাড়তি আনন্দ। ইতিমধ্যেই অনেকে ফোন করে খোঁজখবর নিচ্ছেন। পূজোর মরসুমে এ এক বাড়তি আকর্ষণ।”

প্রকৃতিপ্রেমী গনেশ সরকার বলেন, শরতের আকাশ, সাদা মেঘ আর দূরের তুষারশৃঙ্গ—এই দৃশ্য উত্তরবঙ্গকে এক অন্য মাত্রা দেয়। বছরের এই সময় কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা মানেই মন ভালো হয়ে যাওয়া। এই দৃশ্য আমাদের গর্বিত করে তোলে। সত্যিই, শরতের আকাশে এমন অপূর্ব উপহার উত্তরবঙ্গবাসীর মনে আনন্দের জোয়ার এনেছে।









