
#নিউজ বৃত্তান্তঃ দুর্গাপুজো মানেই আনন্দ, উৎসব আর সামগ্রিক উচ্ছ্বাস। তবে প্রতি বছরই পুজোর চাঁদা সংগ্রহকে ঘিরে অভিযোগের শেষ থাকে না। এবারে পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলে ঘটল এক অভিনব ঘটনা। স্থানীয় বাসিন্দা সুজাতা মাইতি চাঁদার জুলুমবাজির বিরুদ্ধে সরব হয়ে নিজের বাড়ির গেটের সামনে টাঙালেন এক পোস্টার। পোস্টারে স্পষ্ট লেখা, “দিদি ১ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন, আর চাঁদা চেয়ে লজ্জা দেবেন না।”

রাজ্য সরকারের তরফে প্রতিটি দুর্গাপুজো কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই প্রশ্ন তুলেছেন সুজাতা—“যখন সরকারি অনুদান রয়েছে, তখন কেন সাধারণ মানুষের কাছে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে?” তিনি আরও বলেন, “যাঁরা যোগ্য, তাঁরা পাঁচ বছর ধরে চাকরি পাচ্ছেন না। তাঁদের জন্য বরাদ্দ টাকা কাজে লাগানো হোক।”

এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় শুরু হয়েছে তুমুল চাপানউতোর। কেউ দাবি করছেন, প্রতিবছর ক্লাবগুলি গড়ে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা করে চাঁদা নেয়। আবার কেউ বলছেন, সরকারি অনুদান পাননি। তবে পরে সেই দাবি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সাল থেকে দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদান দেওয়া শুরু হয়। সেই সময় থেকেই বিতর্কের শেষ নেই। তবে সুজাতা মাইতির এই অভিনব প্রতিবাদ পুজোর চাঁদা সংস্কৃতিকে নতুন আলোচনায় এনে দিল।









