
#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ রাত পেরোলেই মনসা পূজা। তাই শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় সরগরম রায়গঞ্জের কুমোরপাড়া। সকাল থেকে রাত অবধি মূর্তি গড়ার কাজে ব্যস্ত শিল্পীরা। বাঁশ, খড়, মাটি ও রঙে মনসা ঠাকুরের শোভামণ্ডিত রূপ দিচ্ছেন তাঁরা। ছোট থেকে বড়—বিভিন্ন আকৃতির মূর্তি তৈরি হচ্ছে এলাকার চাহিদা অনুযায়ী। বিশেষত, গ্রামের পুজো কমিটি ও বাড়ির পূজোর জন্য এবার প্রচুর অর্ডার এসেছে বলে জানিয়েছেন মৃৎশিল্পীরা।

মৃৎশিল্পী নারায়ন পালের কথায়, এবছর মূর্তির দাম তুলনামূলক কিছুটা বেড়েছে। খড়, বাঁশ ও রঙের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে তাদের খরচে। তবুও অর্ডার ধরে রাখতে স্বল্প লাভেই মূর্তি বিক্রি করছেন তাঁরা। শিল্পী দীপক পাল বলেন, “মনসা পূজা গ্রামীণ বাংলার অন্যতম বড় উৎসব। তাই চাহিদাও বেশি। তবে রাতদিন এক করে কাজ করলেও সবার চাহিদা মেটানো মুশকিল।”

এদিন কুমোরপাড়ার প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল, চলছে মূর্তি গড়ার শেষ মূহুর্তের কর্মযজ্ঞ। কোথাও শেষ রঙের তুলি, কোথাও আবার শুকোচ্ছে মাটি দেওয়া প্রতিমা। ভিড় করছেন ক্রেতারাও। স্থানীয় বাসিন্দা শঙ্কর দাস জানালেন, মনসা পূজাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই এক ধরনের মেলার আবহ তৈরি হয় কুমোরপাড়ায়। এবছরও কুমোরপাড়ায় তেমন ব্যস্ততা শুরু হয়েছে।









