#মালবাজার: কালিম্পং জেলার এমন অনেক পাহাড়ি গ্রাম আছে যার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে পাহাড়ি ঝোড়া ও নদী। সারা বছর নদীর বালি পাথর পেরিয়েই যাতায়াত করেন স্কুল পড়ুয়া থেকে ওই এলাকার বাসিন্দারা। সমস্যা হয় বর্ষার সময়, এই সময় প্রবল বর্ষণে উত্তাল হয়ে ওঠে পাহাড়ি নদী ও ঝোড়া গুলো। সেই সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করেন বাসিন্দারা।

কালিম্পং জেলার গরুবাথান ব্লকের প্রক্রিয়াবং গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ পাহাড়ি গ্রাম ঘিস বস্তি, বারোঘড়িয়া গ্রাম। প্রত্যন্ত এই গ্রামের একদিক দিয়ে বয়ে গেছে লেইতি নদী অন্য দিক বয়ে গেছে ঘিস নদী। পাশেই রয়েছে হাপার কল। দুই নদীর উপর কোন সাঁকো বা পুল নেই। সারা বছর নদীর বালি পাথর পেরিয়েই যাতায়াত চলে।

কিন্তু বর্ষার মাঝে উত্তাল নদীতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কয়েকটা মাস পারাপার করতে হয় স্থানীয় বাসিন্দা থেকে স্কুল পড়ুয়াদের। বুধবার পাহাড়ি এলাকাসহ ডুয়ার্সে চলছিল প্রবল বর্ষণ। উত্তাল হয়ে উঠেছিল ঘিস ও লেইতি নদী। সেই উত্তাল পাহাড়ি নদী বেরিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে দেখা গেল একদল পড়ুয়াকে।তাদের পারাপারে সাহায্য করছে তাদের অভিভাবকরা। এইরকম দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি হওয়ার পর ভাইরাল হয়।

শুধু একটি গ্রাম নয়, পাহাড়ি এলাকার মালচাং বস্তির মানুষ এভাবেই মাল নদী পেরিয়ে সারা বছর যাতায়াত করে। গত বছর আচমকা জল বেড়ে যাওয়ায় স্কুল পড়ুয়া বোঝায় একটি গাড়ি নদীর জলে আটকা পড়ে। স্থানীয় লোকজন উত্তাল নদী পেরিয়ে পড়ুয়াদের উদ্ধার করে।
এইরকম ঘটনা মাঝেমধ্যেই পাহাড়ি এলাকায় ঘটে থাকে। এভাবেই চলছে তাদের জীবন।








