Explore

Search

April 20, 2026 9:16 am

IAS Coaching

বামেরা এবার শূন্য থেকে শুরু করে অনেকটাই উঠবে জনতা সেই নির্ণয় দেবে: বাসশা মৈত্র

#মালবাজার: এবার নির্বাচনে বামপন্থীরা শূন্য থেকে শুরু করে অনেকটাই উঠবে। রাজ্যের জনতা সেই নির্ণয় দেরে। ঠিক যেমন ১৯৭৭ সালে হয়েছিল কেউ ধারণা করতে পারেনি যে বামপন্থীরা ক্ষমতায় পৌছবে। কিন্তু মানুষের নির্ণয়ে সেটাই হয়েছিল। এবারও নির্বাচনে বামপন্থীরা শূন্য থেকে শুরু করেছে এবং সেখান থেকে অনেকটাই উঠবে”। শুক্রবার রাতে মালবাজার শহরের ঘড়ি মোড় এলাকায় এক নির্বাচনী জনসভায় এই মন্তব্য করেন সিপিএমের তারকা প্রচারক অভিনেতা বাদশা মৈত্র।
এদিন সন্ধ্যা ছয়টা নাগাদ সিপিএম প্রার্থী মনু ওরাও’য়ের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে মালবাজার শহরে  আসেন অভিনেতা বাই বাদশা মৈত্র।
আচমকা বৃষ্টির কারণে সভা শুরু হতে খানিকটা দেরী হয়। কিন্তু বাদশা মৈত্র’য়ের ভাষণ শুনতে আগ্রহ সহকারে বাম কর্মী সমর্থকরা মঞ্চের সামনে উপস্থিত ছিলেন। আশেপাশের দোকানেও উৎসুক্য মানুষের ভিড় ছিল।
প্রার্থী মনু ওরাও এবং এরিয়া কমিটির সম্পাদক রাজা দত্তের বক্তব্যের পরেই মঞ্চে আসেন অভিনেতা বাদশা মৈত্র। সাদামাটা পোশাকে শান্ত স্বরে তিনি মানুষকে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন। প্রায় ৪৮ মিনিট ভাষণে তিনি কেন্দ্রের বিজেপি এবং রাজ্যের তৃণমূল সরকারের প্রতিটি কাজে পুঙ্খানুপুঙ্খ সমালোচনা করেন।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আমি যখন এয়ারপোর্টে আসছিলাম সেই সময় ট্যাক্সিচালক ধর্মেন্দ্র রায় বিহারের বাসিন্দা। সে জানিয়েছে বিহারে মহিলাদের যে অর্থ দেওয়া হয়েছিল সেই অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। এর থেকেই বোঝা যায় বিজেপি প্রতিশ্রুতি কতটা ভাওতা। দেশটাকে বিজেপি তার নিজস্ব মতাদর্শে চালাতে চাইছে। আইন পরিবর্তন করে মানুষের ওপর দমননীতি আনতে চলছে। প্রতিবাদ করলেই নানান ভাবে দমন কিরণ চালানো হচ্ছে। হরিয়ানাতে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে মানুষ রাস্তায় নেমেছে।
কেন্দ্রের বিজেপির পাশাপাশি তিনি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করতে ছাড়েননি। তিনি বলেন, তৃণমূল জায়গা দিয়েছে বলেই বিজেপির রমরমা বেড়েছে। লক্ষীর ভান্ডার দিয়েছে কিন্তু সেটা সরকারি অনুদান আইন নয়। আইন করে যদি লক্ষীর ভান্ডার চালু হত তাহলে সরকার না থাকলেও চালু থাকত। অর্থাৎ এই সরকার সাধারণ মানুষকে এটাই বোঝাতে চাইছে মমতা ব্যানার্জি মুখ্যমন্ত্রী না থাকলে লক্ষীর ভান্ডার বন্ধ হয়ে যাবে। রাজ্যে চাকরি নেই, নেই কর্মসংস্থানের সুযোগ শুধু ভাতা দিয়ে
মানুষের মুখ বন্ধ করা চলছে।
বামফ্রন্টের আমলে প্রতিবছর সরকারি চাকরির পরীক্ষা কত নিয়ম করে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ হতো। গত ১৫ বছরে  সেসব উঠে গেছে। নিয়োগের নামে সীমাহীন দুর্নীতি হয়েছে। মানুষ
এসব দেখছে, এবার নির্বাচনে তার প্রতিফলন ঘটবে। শূন্য থেকেই আবার বামপন্থীরা উঠে আসবে। নিয়ম করে চাকরি হবে। কর্মসংস্থান  হবে। এভাবেই সিপিএম প্রার্থীর পক্ষে তিনি প্রচার করেন। তিনি বামপন্থীদের প্রচারক হিসাবে এসছেন বলে জানান।
Advertisement
Live Cricket Score
upskillninja