#মালবাজার: আবা রো রাস্তার কাজে নিম্নমানের দ্রব্য সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ প্রতিবাদ জানিয়ে কাজ বন্ধ করে দিল তেশিমলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সাধারণ মানুষ। ঘটনাটি ঘটেছে মালবাজার থেকে বড়দীঘি পর্যন্ত প্রায় ৯ কিলোমিটার রাজ্য সড়কের নবনির্বাণের কাজের সময় হাড়িয়া মোর এলাকায়। জানা গেছে, অন্যান্য দিনের মতো এদিনও নির্মাণকারী সংস্থা সড়ক নির্মাণের কাজ করছিল। একটি ডাম্পারে করে নির্মাণ সামগ্রী বালি পাথর রাস্তায় ফেলার সাথে সাথে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন যে নির্মাণ সামগ্রী সরকারি নির্দেশিকায় নির্ধারিত আছে সেই সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে না।

কমদামি সাদা পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনার স্থলে হাজির হন তেসিমলা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা মোস্তাফা হোসেন এবং পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সুশীল রায়। তারা পরবর্তী দুটি গাড়ির সামগ্রী ফেলতে বাধা দেন।
মোস্তফা হোসেন বলেন, দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ পাথর সাদা এবং কম দামি। কাজের সিডুউল অনুযায়ী পাকুরের কাল শক্ত পাথর ব্যবহার কথা আজ রয়েছে। এজন্যে আমরা দুটি গাড়ির দ্রব্য সামগ্রী ফেলতে বাধা দিয়েছি।

বাম নেতা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সুশীল রায় বলেন, গোটা রাস্তায় দশটি বক্স কালভার্ট তৈরীর কথা সরকারি সিডিউল অনুযায়ী রয়েছে। এখন ঠিকাদার সংস্থা সেটা করতে চাইছে না। আমাদের বহু আন্দোলনের পর রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে এখন নির্মাণকারী সংস্থা দায় সারা ভাবে কাজ করতে চাইছেন এটা আমরা মানব না। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আছেন তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা এবং পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য আরমান আরসাদ। তিনি বলেন দ্রুত সর্বদলীয় বৈঠক দেখে সমস্যার সমাধান করা হবে।

রবিবার ছুটি থাকায় এই বিষয় নিয়ে পূর্ত দপ্তরের বাস্তুকারের অভিমত পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ১৯ শে ফেব্রুয়ারি একই ভাবে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে বলে স্থানীয়রা কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল। এভাবে বারবার কাজ বন্ধ হওয়ার ফলে কাজের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সাধারণ মানুষ।








