
#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ বকেয়া ডিএ-র দাবিতে কয়েকটি শিক্ষক সংগঠন এবং বিরোধী সরকারি কর্মচারীদের উদ্যোগে ১৩ই মার্চ শুক্রবার রাজ্য জুড়ে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি অফিসে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হলেও রায়গঞ্জ তথা উত্তর দিনাজপুরে তার বিশেষ প্রভাব পড়েনি। বনধকে কার্যত উপেক্ষা করেই জেলার বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

শুক্রবার সকালে রায়গঞ্জ ও সংলগ্ন এলাকার একাধিক প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ বিদ্যালয়েই স্বাভাবিকভাবেই পঠনপাঠন চলছে। শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিয়মিতভাবে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়েছেন এবং পড়ুয়ারাও প্রতিদিনের মতোই স্কুলে এসে ক্লাসে অংশ নিয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন আলি জানান, জেলার অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রয়েছে এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত থেকে পাঠদান করছেন। তিনি বলেন, “ধর্মঘটের খুব একটা প্রভাব জেলায় পড়েনি। অধিকাংশ স্কুলেই পঠনপাঠন স্বাভাবিক রয়েছে এবং ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতিও ভালো।” পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের জেলা সমন্বয়ক প্রসূন দত্ত বলেন, স্কুল গুলোতে ক্লাস হয়েছে নিয়মিত। একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা হয়েছে। পাশাপাশি, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষাও হয়েছে। কোথাও কোনো সমস্যা নেই।

এদিন সকাল থেকে অবশ্য কয়েকটি স্কুলের সামনে গুটিকয়েক শিক্ষক শিক্ষিকা বনধের সমর্থনে পিকেটিং করেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হয়। কোথাও যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য সতর্ক ছিল প্রশাসন। সব মিলিয়ে বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ডাকা ধর্মঘটের মধ্যেও রায়গঞ্জে অধিকাংশ বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক ছন্দেই চলেছে শিক্ষা কার্যক্রম।








