
#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ একসময় উত্তর দিনাজপুর জেলার অন্যতম বৃহৎ গরুর হাট হিসেবে পরিচিত ছিল মহারাজা গরুহাটি। প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার, দূরদূরান্ত থেকে ব্যবসায়ী, কৃষক ও ক্রেতাদের ভিড়ে জমজমাট হয়ে উঠত এই হাট। কিন্তু এদিন সেই চেনা ছবি যেন একেবারে অতীত। হাটে নেই ক্রেতা, নেই বিক্রেতাদের ভিড়ও। ফলে কার্যত ফাঁকাই পড়ে থাকছে মহারাজা গরুহাটি।

স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমের অভিযোগ, গবাদি পশুর ক্রমবর্ধমান দাম, পরিবহণ খরচ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক বিধিনিষেধের কারণে গরুর ব্যবসায় আগ্রহ কমেছে। অনেক ব্যবসায়ীই এখন আর নিয়মিত হাটে আসছেন না। ফলে হাটের চেহারাও বদলে গিয়েছে।

হাটে আসা এক ক্রেতা জানান, আগে একটি হাটে ২০০ থেকে ৩০০ গরু উঠত। এদিন সেখানে ৫থেকে ৬টির বেশি গরু দেখা যায় নি। দামও বেশ চড়া। হাটে ক্রেতার সংখ্যাও অনেক কমে গিয়েছে। বিক্রি না হওয়ায় অনেক সময় ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

এমন ঘটনায়, হাটের সঙ্গে যুক্ত ছোট ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। গরু পরিবহণ, খাবার বিক্রি বা অন্যান্য কাজের সঙ্গে জড়িত বহু মানুষের রোজগার কমে গিয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দা ছোটন মুখার্জির দাবি, এই হাটটি বহু সাধারণ মানুষের রুটি রুজির হাট। প্রশাসনের তরফে উদ্যোগ নিলে, হাটটি আবারও পুরনো চেহারায় ফিরতে পারে।








