Explore

Search

May 19, 2026 10:19 pm

IAS Coaching

মন্দির নিয়ে জাতের রাজনীতি বন্ধের আবেদন জানালেন প্রতিষ্ঠাতা সমাজকর্মী নেহা দাস

#মালবাজার: মাল নদীর ধারে এক শিব মন্দির নিয়ে জাতপাতের বিভেদ রাজনীতি বন্ধ করে পূন্যার্থীদের ক্ষেত্র গড়ে তোলার আবেদন জানালেন মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা সমাজকর্মী নেহা দাস। সোমবার বিকালে স্থানীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সন্মেলন করে শ্রীমতী দাস বলেন, আপনারা জানেন গত ২০২২ সালে মাল নদীর বিসর্জন ঘাটে হরপা বানে ৮ জন মারা যায় এবং ১৪ জন আহত হয়। তারপর থেকে স্থানীয় পুরোহিত সমাজের পক্ষ থেকে বছরে বিভিন্ন সময় গঙ্গা আরতি, গঙ্গা পূজা এবং শান্তি প্রার্থনা করা হয়। পুরোহিত সমাজের পক্ষ থেকে এবং স্থানীয় কিছু মানুষ আমার কাছে অনুরোধ করেন যে উদ্যোগ নিয়ে ওখানে একটি শিব মন্দির গড়ে তোলার।
সেই মতো আমি ২০২৪ সালে পৌরসভার অনুমতি নিয়ে মন্দির স্থাপনা করি এবং শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করি। তার সমস্ত খরচের রসিদ
আমার কাছে রয়েছে। পুরোহিত সমাজের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠার দিন পূজা করা হয় এবং নিয়মিত ভাবে পূজার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সম্প্রতি দেখতে পাচ্ছি কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ মন্দিরটিকে বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের নামে দাবি করছে এবং চাঁদা সংগ্রহ করছেন এবং ওইখানে পুরোহিত কে পূজা দিতে বাধা দিচ্ছেন।
মন্দিরের সমস্ত রকম খরচা আমরা বহন করি তাহলে বাইরে থেকে চাঁদা কেন? যারা এই কাজ করছে তাদের বিগত থাকতে অনুরোধ করছি। মন্দির সবার এবং সবাই পূজা দেবেন এটাই জানিয়ে রাখছি। মন্দিরের নামে কোন চাঁদা তোলা যাবে না। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মন্দিরের সেবাইত রুবাই চক্রবর্তী, মন্দির নির্মাণকারী রাজমিস্ত্রি জাকির হোসেন সহ অন্যান্যরা।
রুবাই চক্রবর্তী বলেন, প্রতিষ্ঠার দিন আমাদের জ্যেষ্ঠ পুরোহিতরা মন্দির এবং লিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করেন। আমি নিয়মিত পূজা দেই। পূজার ব্যয়ভার নেহা দিদি বহন করেন। কিন্তু কিছু মানুষ ওইখানে পূজা করতে গেলে মাঝেমধ্যে এসে বাধা দেয়। ঘটনায় একাধিকবার পুলিশকে জানানো হয়েছে। রাজমিস্ত্রি জাকির হোসেন বলেন, আমাকে দিয়ে দিদি মন্দির তৈরি করেছেন এবং সমস্ত রকম খরচ বহন করেছেন। মন্দির নিয়ে এভাবে জাত পাতের প্রশ্ন তোলায় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
Advertisement
Live Cricket Score
upskillninja