Explore

Search

May 20, 2026 1:36 am

IAS Coaching

দরিদ্র পরিবারের চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন স্থানীয়দের

#মালবাজার: বিছানায় শয্যাশায়ী মা, সন্তানদের সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। ১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে একটি ভাঙাচোরা ঘর। সেখানেই এখন থমকে গিয়েছে পাঁচটি প্রাণ।চেল সড়ক সেতু সংলগ্ন ওদলাবাড়ির দেবী বস্তি এলাকার এক শ্রমজীবী পরিবারের কাহিনী আজ যে কোনো মানুষের চোখ ভেজাতে বাধ্য। চরম দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করতে করতে এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে তাদের।
​পরিবারের কর্তা চল্লিশ পেরনো হারাধন দাস পেশায় রাজমিস্ত্রীর সহায়ক।বাড়িতে হারাধন ছাড়াও স্ত্রী,স্কুল পড়ুয়া দুই মেয়ে এবং এক শিশুপুত্র রয়েছে। একমাত্র উপার্জনকারী হারাধনের কোনোদিন কাজ জোটে, আবার কোনোদিন শূন্য হাতে বাড়ি ফিরতে হয়। ‘দিন আনি দিন খাই’ এই সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরনোর দশা।সরকারি রেশনের চাল, আটা টুকুই বর্তমানে তাদের একমাত্র ভরসা।
​দুর্ভাগ্য যেন পিছু ছাড়ছে না এই পরিবারের। কোল আলো করে শিশুপুত্র এলেও, তার জন্মের পর থেকেই মা শয্যাশায়ী।  প্রায় পঙ্গু হতে বসেছেন মা পিঙ্কি দাস। উঠে দাঁড়ানোর ক্ষমতা হারিয়েছেন তিনি। অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে আছে উন্নত চিকিৎসা। যেখানে দুবেলা অন্নসংস্থানই অনিশ্চিত, সেখানে চিকিৎসার খরচ জোগানো যেন আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়ার মতো। এমনকি কোলের শিশুটির জন্য দুধ কেনার সামর্থ্যটুকুও হারিয়ে ফেলেছে এই পরিবার।
​ দুই মেয়ে তুলসি ও পিয়ালি ওদলাবাড়ি গার্লস স্কুলের ছাত্রী।তুলসি ক্লাস এইটে,পিয়ালি ক্লাস ফাইভে পড়ে। পড়াশোনায় আগ্রহ থাকলেও চরম আর্থিক অনটন আজ তাদের স্কুলব্যাগ আর বইপত্রের ওপর কালো ছায়া ফেলেছে। খাতা-কলম কেনা বা স্কুলের সামান্য খরচটুকু জোগাতে না পারায় তাদের পড়াশোনাও আজ বন্ধ হওয়ার মুখে।
​”আমরা আজ নিঃস্ব। বাচ্চাদের মুখে একটু দুধ তুলে দিতে পারি না, মেয়েদের পড়াশোনা চালাব কীভাবে? আমাদের দিকে কেউ যদি একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেন…” কান্নায় ভেঙে পড়ে এই আকুতিই জানালেন শয্যাশায়ী পিঙ্কি।পিঙ্কির এই আকুতির কথা জানতে পেরেছেন মালের বিডিও রশ্মিদীপ্ত বিশ্বাস।প্রশাসনের তরফে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।  স্থানীয় পরিবেশ প্রেমী সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর  নফসার আলী বলেন আমি সব জানি দেখেছি  এই পরিবারে খুবই খারাপ অবস্থা আমরা চাই কোন হৃদয়বান ব্যক্তি এই পরিবারের পাশে দাঁড়ায় তাহলে চিকিৎসা করাতে পারবে।
Advertisement
Live Cricket Score
upskillninja