
#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে এল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বহুল আলোচিত বকেয়া ডিএ (মহার্ঘ্য ভাতা) মামলার রায়। আদালতের এই রায়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা। তবে রায় তাঁদের পক্ষে এলেও এখন বড় প্রশ্ন—রাজ্য সরকার আদৌ এই নির্দেশ কার্যকর করবে তো?

সূত্রের খবর, সর্বোচ্চ আদালত এদিন তার রায়ে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার দাবিকে ন্যায্য বলে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং ৩১শে মার্চের মধ্যে ২৫ শতাংশ এবং ১৫ই মে এর মধ্যে কমিটিরর প্রস্তাব মেনে বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছে। এর ফলে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও আইনি লড়াই এক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যে পৌঁছাল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

রায়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে খুশির হাওয়া বইতে শুরু করেছে। উত্তর দিনাজপুর জেলা কনফেডারেশনের সম্পাদক সূযশ মুখোপাধ্যায় এটিকে ‘ঐতিহাসিক রায়’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, এই রায় শুধু আর্থিক স্বস্তিই নয়, বরং ন্যায়বিচারের জয়।

তবে আনন্দের মাঝেই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। জয়ী কর্মচারীদের একাংশের প্রশ্ন, “রায় আমাদের পক্ষে এসেছে ঠিকই, কিন্তু রাজ্য সরকার কি বাস্তবে সেই রায় মেনে ডিএ দেবে?” এদিকে বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, আদালতের নির্দেশ দ্রুত কার্যকর না হলে আগামী দিনে আন্দোলনের পথেও হাঁটতে তারা পিছপা হবে না। সব মিলিয়ে ডিএ মামলার রায় নতুন আশার আলো দেখালেও, বাস্তবায়নের দিকেই এখন তাকিয়ে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা।








