
চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীর জন্য গ্রামেই শুরু হয়েছিল অকালবিবাহের আয়োজন। তবে খবর পেয়েই ছুটে যান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক , কন্যাশ্রী নোডাল টিচার, অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সিনি’র প্রতিনিধি নিধি। স্নেহ আর যুক্তির কথায় তারা বোঝান ছাত্রীটির বাবা-মাকে। শেষমেশ পরিবারের মন গলে, থেমে যায় অকালবিবাহের আয়োজন।


মেয়ের বাবা-মা প্রতিশ্রুতি দেন—“আমরা ওকে আবার স্কুলে পাঠাবো, ওর পড়াশোনা বন্ধ হবে না।” সেই মুহূর্তে ছাত্রীটির মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তির হাসি। যেন নতুন আলোয় ভরে ওঠে তার ছোট্ট পৃথিবী।


লাজুক গলায় মেয়েটির স্বপ্নের কথা—
“আমি পড়াশোনা করে একদিন শিক্ষক হতে চাই। অন্য মেয়েদেরও শেখাতে চাই যে অল্প বয়সে বিয়ে নয়, পড়াশোনাই আসল।”

বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগে স্থানীয় মানুষদের কণ্ঠে এখন একটাই কথা—“স্কুল শুধু পড়ার জায়গা নয়, এটি আমাদের সমাজের আশার আলো।”

