
নিউজ ডেস্কঃ বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে অবশেষে নতুন স্টপেজ পেল কিষানগঞ্জ। অন্যদিকে আজমনগরে থামবে কুলিক এক্সপ্রেস এবং কলকাতা–রাধিকাপুর এক্সপ্রেস। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে জেলাজুড়ে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা।


রায়গঞ্জের বণিক মহলে এই খবরে খুশির হাওয়া। রায়গঞ্জ মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক অতনু বন্ধু লাহিড়ী বলেন, “বছরের পর বছর ধরে আমরা ব্যবসায়ীরা দাবি জানিয়ে আসছিলাম। নতুন স্টপেজ চালু হলে জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসবে। বিশেষত কলকাতা ও শিলিগুড়ি মুখী যাতায়াত আরও সহজ হবে।”


তবে সবার মত এক নয়। রেলে নিয়মিত ভ্রমণ করা স্বদেশ চক্রবর্তী জানান, “স্টপেজ বাড়ালে যাত্রার সময়ও বাড়ে। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনের মূল আকর্ষণই হলো দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছনো। বেশি স্টপেজ দিলে সেই সুবিধাটা কমে যাবে।”


রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, যাত্রী চাপ এবং স্থানীয় মানুষের চাহিদা বিবেচনায় রেখেই এই নতুন স্টপেজের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী মাসের ৫ তারিখ থেকে শিলিগুড়ি মুখী বন্দেভারত স্টপেজ দেবে। রাধিকাপুর এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে ৫ই সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হবে এই পরিষেবা। কুলিক এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে ৬ই সেপ্টেম্বর থেকে এই পরিষেবা শুরু হবে।
এখন দেখার, কুলিক, রাধিকাপুর ও বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের নতুন স্টপেজ জেলার মানুষকে কতটা বাস্তব সুবিধা এনে দিতে পারে।

