
#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ রেলগেটের ওপর রীতিমতো মাইকে বাজছে ট্রাফিক আইন কানুন মেনে চলার সতর্ক বার্তা। রায়গঞ্জ ট্রাফিক পুলিশ এবং প্রশাসনের বারবার সতর্কবার্তা ও মাইক বেঁধে প্রচার সত্ত্বেও নিয়ম ভাঙার প্রবণতা কমছেই না রায়গঞ্জ শহরে। সকাল থেকে রাত—শহরের প্রধান রাস্তা থেকে অলিগলি, সর্বত্রই দেখা যাচ্ছে অটো ও টোটো চালকদের নিয়মভঙ্গের দৃশ্য। হেলমেটবিহীন বাইক আরোহী যেমন রোজকার চিত্র, তেমনই রংচটা কিংবা নম্বরপ্লেটবিহীন অটো-টোটোও চলছে নির্ভয়ে। সবচেয়ে বড় সমস্যা রেল গেট সংলগ্ন পুর বাস টার্মিনাসের সামনে। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এখানে এসে তীব্র যানজটে আটকে পড়ছে যানবাহন।

রেলগেটে ট্রাফিক পুলিশ প্রতিদিনই মাইকে ঘোষণা করছে, ওভারলোড না করা, নির্দিষ্ট রুট মেনে চলা, স্ট্যান্ডের বাইরে যাত্রী তোলা নিষিদ্ধ। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি ঠিক উল্টো। অধিকাংশ অটো-টোটো চালক নির্দিষ্ট রুট মানছেন না, যাত্রী তুলছেন যত্রতত্র, এমনকি অনেকেই নির্ধারিত ভাড়ার থেকেও বেশি নিচ্ছেন বলে অভিযোগ।

শহরের বিদ্রোহী মোড় থেকে সমস্ত মহাত্মা গান্ধী রোড এবং নেতাজী সুভাসচন্দ্র রোড সংলগ্ন এলাকাগুলিতে সকাল ও অফিস ছুটির সময়ে যানজটের মূল কারণ হিসেবে দেখা দিচ্ছে এই অনিয়ন্ত্রিত চলাচল। একাধিক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রশাসন কাগজে-কলমে নিয়ম করছে, কিন্তু রাস্তায় কোনও কাজের প্রয়োগ নেই।”

ট্রাফিক বিভাগের এক আধিকারিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নিয়ম ভাঙা রুখতে প্রতিদিনই অভিযান চলছে, তবে চালকদের একাংশ আবারও একই ভুল করছেন। ফলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। টোটোর দাপটে ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে রায়গঞ্জের শহরবাসীর প্রশ্ন, মাইক বেঁধে প্রচার কি শুধু আনুষ্ঠানিকতা? নাকি রাস্তায় নেমে কড়া হাতে তারা ট্রাফিক আইন অনুযায়ী যান নিয়ন্ত্রণ করবেন।






