#মালবাজার: ” জিটি/ গুন্ডা ট্যাক্স দিতে অস্বীকার করায় ছুরিকাহত হলো এক ডাম্পার চালক ” এমনই অভিযোগে শনিবার রাত পর্যন্ত চাঞ্চল্য ছড়ালো ওদলাবাড়ি এলাকায়। অভিযুক্তের শাস্তি চেয়ে মাল থানায় লিখিত অভিযোগ করলেন ওই ডাম্পার চালক রাহুল হক। তার বাড়ি ওদলাবাড়ি শান্তি কলোনি এলাকায়। শনিবার রাতে মাল থানার চত্বরে দাঁড়িয়ে রাহুল হক জানান, ” আজ সকাল ৪টা নাগাদ আমি ডাম্পার চালিয়ে ঘিস নদী এলাকায় বালি সংগ্রহে যাই।

নদীর পাশে গাড়ি থামাতেই ওই এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলিয়র রহমান এবং কয়েকজন আমাকে ঘিরে ধরে এবং ৩০০ টাকা জিটি চায়। আমি দিতে অস্বীকার করলেই অলিয়ার রহমান লোহার এঙ্গেল দিয়ে আমার হাতে আঘাত করে। আমার পেটে ছুরি দিয়ে আক্রমণ করে। ঘটনায় আমি মারাত্মকভাবে জখম হয়ে কোনক্রমে পালিয়ে বাঁচি। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা করাই। সন্ধ্যায় খানিকটা সুস্থ হবার পর থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। আমি যাই অভিযুক্ত যেন শাস্তি পায়”।

এদিন অভিযোগকারী রাহুল হকের সঙ্গে আরো কয়েকজন ডাম্পার চালক ছিলে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওদলাবাড়ি এলাকায় ডাম্পার চালকদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। অবৈধ তোলাবাজির বিরুদ্ধে সবাই সোচ্চার হয়। বেশ কয়েকজন চালক জানান, মাঝেমধ্যেই এইরকম তোলাবাজি নিয়ে ঝামেলা হয়। এর আগেও চাকু মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ওদলাবাড়ির পূর্ব এবং পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে বয়ে গেছে চেল, ঘিস ও লিস নদী। বালি পাথরের রমরমা কারবার চলে। বর্ষায় নদীতে নামা নিষেধ থাকলেও কারবার চলতেই থাকে। এই অবৈধ কারবারের জেরে মাঝেমধ্যেই ঘটে নানান ঝামেলা। চলে মারামারি হানাহানি।






