
#মালবাজার: বৃক্ষ ছেদনের ফলে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে পৃথিবীর পরিবেশ ও জলবায়ুর উপর। এর মাত্রা যত বাড়বে, মানুষের বাঁচার অক্সিজেন কমে আসবে কার্বনডাই অক্সাইডে ভরে যাবে। এই মারাত্মক প্রবনাতকে রুখতে হবে’। শনিবার চালসাতে একাধিক সংগঠনের উদ্যোগে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের নামে বৃক্ষছেদনের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে এ কথা বলেন বিজ্ঞান আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্ব শংকর কর। চালসা থেকে ময়নাগুড়ি অবধি রাস্তা,চওড়া করা হবে। তার জন্য ৪৫০ টি গাছ কাটার প্রস্তাব রয়েছে।

পরিবেশের স্বার্থে এর বিরোধিতা করতে হবে। আজকের এই পথসভায় বিজ্ঞান মঞ্চ এবং পরিবেশ প্রেমী সংগঠনের আহবানে এই প্রতিবাদ সভায় উত্তর বঙের পাচটি জেলা দার্জিলিং,উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ী জেলা থেকে পশ্চিমবঙ বিজ্ঞান মঞ্চের প্রতিনিধিরা ছাড়া জেলার বিভিন্ন পরিবেশপ্রেমীরা আজকের যৌথ প্রতিবাদ সভায় হাজির ছিলেন। বিভিন্ন বক্তারা বলেন জাতীয় সড়ক এর সম্প্রসারনের বিরোধী নন তারা, কিন্তু উন্নয়নের নামে সবুজ নিধনের তারা বিরোধী।

পৃথবীর উন্নয়ন দেশগুলি সবুজকে বাঁচিয়ে তারা উন্নয়ন করে।এইভাবে গাছ কাটতে থাকলে অক্সিজেনের ভান্ডারে টান পড়বে।প্পশ্চিমবঙ বিজ্ঞান মঞ্চ পরিবেশের স্বার্থে জাতীয় বনাঞ্চল্গুলিকে বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের আওয়াতায় আনার জন্য ইউনেস্কো,কেন্দ্রীয় সরকার, ও রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেছে।এর মধ্যে কেন্দ্র মহানন্দা অভয়ারন্যকে এর আওয়তায় এনেছে।এর ফলে ঐ এলাকার তিন কিলোমিটার রেডিয়াস এর মধ্যে কোন বৃক্ষছেদন, পরিবেশের ভারসাম্য বদল করা যাবে না।

বক্তারা বলেন, লাটাগুড়ীতে ফ্লাইওভার করার সময় এর বিরোধিতা করে ২০১৬ সালের ৬ই এপ্রিল গাছ কাটার বিরোধিতা করা হয়েছিল।পরিবেশের প্রয়োজীনতা উপেক্ষা করে ফ্লাই ওভার নির্মানের সময় কত বৃক্ষ রোপন হয়েছে তা এখনও বন দপ্তর দিতে পারে নি।পৃথিবী রক্ষা করা দিকে না গিয়ে চলছে পৃথিবীর বিনাশ।বাঁচাতে হবে পৃথিবীকে। আর এই কাজে এলাকার মানুষকে সাথে নিয়ে সবুজ বাঁচানোর আন্দোলনকে প্রসারিত ও মজবুত করতে হবে।

পথসভায় বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান মঞ্চের রাজ্য,সহ সভাপতি গোপাল চন্দ্র দে, আইনজীবি নিতা দাস,আলিপুরদুয়ার থেকে অমলেন্দু, বিশ্বাস, উত্তর দিনাজপুর থেকে পার্থ ভদ্র, পরিবেশ প্রেমী অনির্বান মজুমদার,মানবেন্দ্র দে সরকার, ধুপগুড়ী থেকে তপন দাস,তপতী রায় প্রমুখ।পর্যটনের স্বার্থে, পরিবেশের দিকে তাকিয়ে এই সবুজ নিধনের লড়াইকে প্রসারিত করতে হবে বলে তারা দাবি জানান। প্রতিবাদ সভার পর ফেস্টুন ও প্লাকার্ড হাতে চালসা থেকে মিছিল করা হয়।






