
#রায়গঞ্জঃ রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মন, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভায় ৯৩ দিন সশরীরে উপস্থিত থাকলেও একদিনও হেমতাবাদের জন্য কোনো উন্নয়নের প্রসঙ্গ তোলেননি, এদিন এমনই দাবি করলেন হেমতাবাদ ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি মনসুর আলী। এমন অভিযোগে, রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে হেমতাবাদের রাজনৈতিক মহলে।

মনসুরের অভিযোগ, আমাদের হেমতাবাদ বিধানসভার বিধায়ক হিসেবে গত বিধানসভা ভোটে জয়ী হন তৃণমুল কংগ্রেসের সত্যজিৎ বর্মন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রীসভায় তিনি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ শুরু করেন গত ২রা অগাস্ট ২০২২ থেকে। অথচ এলাকার উন্নয়নে কোনো ভূমিকা না নেওয়ায়, আমি বিধানসভার ডেপুটি সেক্রেটারির কাছে তথ্যের অধিকার আইনে হেমতাবাদ বিধানসভার বিধায়কের উপস্থিতি ও প্রশ্নের তথ্য জানতে চাই। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুসারে, তিনি এলাকার বাসিন্দা ও বিধায়ক হিসেবে নিজের বিধানসভার উন্নয়নের জন্য কোনো প্রশ্ন করেননি।

মনসুরের দাবি, মন্ত্রী হওয়ার আগেও এলাকার জন্য বিধানসভায় প্রশ্ন তোলেননি, আর মন্ত্রী হয়ে তো শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সড়ক কোনো দিকেই খেয়াল করছেন না, তাই তাঁকে আমরা দলগত ভাবে ‘বোবা’ বিধায়ক হিসেবে চিহ্নিত করেছি। তিনি তাঁর কার্যকালে ৯৩ দিন মাত্র উপস্থিত ছিলেন। আর ৫৪ দিন বিধানসভা মুখোও হননি। আগামী দিনে, এই কর্মকান্ড নিয়ে আমরা সাধারণ মানুষের মধ্যে যাব।

যদিও রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের পক্ষে রায়গঞ্জ ২ ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি দীপঙ্কর বর্মন বলেন, বিধায়ক হিসেবে সত্যজিৎ বর্মন অত্যন্ত কর্মতৎপরতার সাথে তাঁর কাজ করছেন। গোটা রাজ্যের দায়িত্ব মাথায় নিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের কাজ করছেন। হেমতাবাদ বিধানসভার প্রতিটি কোণে রাস্তা তৈরি থেকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সরকারি নানান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে তিনি তৎপর।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের প্রতিটি সুবিধা যাতে প্রতিটি সাধারণ মানুষ পায়, সেজন্য পঞ্চায়েত সমিতি, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানদের নিয়ে নিয়মিত কাজ করছেন। এতে এলাকাবাসীর প্রচুর উন্নয়ন হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে বহু মানুষ উন্নয়নে যোগ দিচ্ছেন। এসব দেখে বিভ্রান্ত হয়ে কংগ্রেসের গুটিকয়েক মানুষ সরকারি কাগজ হাতে পথে নেমেছে। আগামী দিনে, ওদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।






