
#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ রায়গঞ্জ শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ষাঁড়েদের দাপটে জনজীবন বিপর্যস্ত। বিদ্রোহী মোড়, ইনস্টিটিউটের সামনে, জেলখানা মোড় এবং মোহনবাটির মতো ব্যস্ত এলাকাগুলোতে দিনের বেলাতেই যেমন যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, তেমনই রাতের অন্ধকারে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

প্রতিদিন শহরের রাস্তার বিভিন্ন প্রান্তে ষাঁড়েদের দল ঘোরাফেরা করছে। কখনও রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থেকে যানজটের সৃষ্টি করছে, আবার কখনও হঠাৎ করেই দৌড়ে গিয়ে পথচারীদের বা যানবাহনের সামনে আসছে। গত এক মাসে এই কারণে বেশ কয়েকটি ছোট-বড় দুর্ঘটনার খবর সামনে এসেছে।

বিদ্রোহী মোড়ের দোকানদার সনাতন প্রামাণিক বলেন, প্রতিদিনই রাস্তার মাঝখানে ষাঁড়েরা দল বেঁধে বসে থাকে। গাড়ির হর্ন বাজালেও নড়ে না। অনেক সময় বড় গাড়ি পাশ কাটাতে গিয়ে ছোট গাড়িকে ধাক্কা মারে। ইনস্টিটিউটের সামনে কলেজ ছাত্র রূপ দেবশর্মা জানান, রাতে বাড়ি ফেরার সময় অন্ধকারে রাস্তায় শুয়ে থাকা ষাঁড় চোখে পড়ে না। হঠাৎ করে ধাক্কা লাগার আশঙ্কা থাকে।

পশুপ্রেমী রক্তিম সরকার বলেন, ষাঁড়দের খাবারের কোনো নির্দিষ্ট ব্যবস্থা না থাকায় তারা রাস্তা দখল করে বসে থাকে। তবে শহরের বাসিন্দারা দাবি তুলেছেন, ষাঁড় ও গরুদের সঠিকভাবে আশ্রয় দেওয়া এবং রাস্তা থেকে সরানোর জন্য প্রশাসনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

পুরসভার কোঅরডিনেটর তপন দাস জানান, ষাঁড়দের আশ্রয়ের ব্যবস্থা পুরসভা চালু করেছে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের আদেশ মেনে কোনো প্রাণীকে ধরে রাখা আইনত অপরাধ। তাই পুরসভা কিছু করতে পারছে না। তবে সাধারণ মানুষের কাছে অনুরোধ, এভাবে ষাঁড়কে ছেড়ে দেবেন না। তবে এই পরিস্থিতি পুরসভা কিভাবে নিয়ন্ত্রণে আনে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন পুর নাগরিকেরাও।






