
#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ বিদ্যুৎ পৌঁছে গেলেও হাতপাখার চাহিদা এখনও ফুরোয়নি। আর সেই হাতপাখাই আজও ভরসা রায়গঞ্জের পাঁচভায়া গ্রামের সন্ধ্যা বর্মনের জীবিকার। সংসারে চরম অভাব। স্বামী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তাই লক্ষীর ভাণ্ডার পেলেও পেটের ভাণ্ডার ভরাতে তাকে এখনো হাতে তুলে নিতে হয় কাপড়, সুতো ও বাঁশের কাঠি।

প্রতিদিন সকালে ঘরকন্নার কাজ সেরে সন্ধ্যা দেবী বসে যান পাখা তৈরির কাজে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তৈরি করেন দিনে গড়ে তিনটি হাতপাখা। তাঁর কথায়, শহরে ইলেকট্রিক পাখার প্রভাবে চাহিদা কমলেও গ্রামে আজও হাতপাখার কদর রয়েছে। বিশেষ করে গরমকালে বা বিদ্যুৎ না থাকলে এই পাখা গুলোর গুরুত্ব অপরিসীম।

সন্ধ্যা বর্মনের কথায়, “উৎসব-অনুষ্ঠানে তালপাতার পাখার আলাদা কদর রয়েছে। আবার অনেকে ঘরের সাজ হিসেবে সুন্দর দেখতে হাতপাখাও কিনে নেন। আদিবাসী সমাজে তো এটার প্রচলন অনেক পুরনো।” তাই বাড়িতে বানিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে বিক্রি করি। সন্ধ্যার মতো অনেকেই আজও পুরনো শিল্পকে আঁকড়ে ধরে জীবন চালাচ্ছেন। তাদের গল্পগুলোই গ্রামীণ বাংলার না বলা কাহিনি।








