Explore

Search

July 10, 2026 9:36 am

IAS Coaching

ডুয়ার্স – তরাই নিয়ে আলাদা রাজ্যের দাবি তুললেন আদিবাসী নেতা রাজেশ লাকরা

#মালবাজার: ডুয়ার্স- তরাই নিয়ে আলাদা রাজ্যের দাবি তুললেন ভারতীয় মূল নিবাসী আদিবাসী বিকাশ পরিষদের সভাপতি তথা শ্রমিক নেতা রাজেশ লাকরা। মঙ্গলবার পরন্ত বিকালে  নিজের ব্যক্তিগত বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক কালে তিনি রাজ্য সরকারকে বাংলায় আদিবাসী, গোর্খা, বিহারী, মারোয়ারি, রাজবংশী এবং অন্যান্য বর্ণের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ করেন। পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস কমিশনে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক করে হিন্দি ভাষা অপসারণের তীব্র বিরোধিতা করে তিনি তরাই ডুয়ার্সকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আলাদা করার দাবি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, তরাই ডুয়ার্সকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আলাদা করা হলেই এখানকার মুখ্যমন্ত্রী আমাদের চা শ্রমিক এবং গ্রামে বসবাসকারী মানুষের সমস্যা বুঝতে পারবেন। আজ পর্যন্ত আমরা তরাই ডুয়ার্সের জন্য ষষ্ঠ তফসিলের দাবি জানিয়ে আসছিলাম কিন্তু এখন আমরা একটি পৃথক রাজ্যের দাবি জানাচ্ছি। আসাম এবং ডুয়ার্সে ভুটানে প্রবেশের জন্য ১৮টি জনপদ রয়েছে। যার মধ্যে ১২টি ডুয়ার্সে এবং ৬টি আসাম রাজ্যে। ২০২২ সালে, বিভিন্ন সংগঠন  কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছে, যেখানে আসামের ৬টি প্রদেশ এবং ডুয়ার্সের ১২টি প্রদেশ একত্রিত করে পৃথক রাজ্যের দাবি জানানো হয়েছে।
তরাই ডুয়ার্সে বসবাসকারী মানুষের সমস্যার একমাত্র সমাধান হল একটি পৃথক রাজ্য। এখানে একটি পৃথক রাজ্য হলেই এখানকার মানুষদের উন্নয়ন ও অগ্রগতি হবে।প্রসঙ্গত  উল্লেখ্য, রাজেশ লাকরা তৃণমূল কংগ্রেসের আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি ছিলেন। আইএনটিটিইউসি জেলা সভাপতির পদ থেকে অপসারণের পর, তিনি ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল দল ছেড়ে দেন। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি তৃণমূলকে ক্রমাগত আক্রমণ করে চলেছেন।
তিনি বলেন, দার্জিলিং পাহাড়ের নেতারা পৃথক রাজ্যের দাবি করছেন, এটি একটি বৈধ দাবি। তিনি রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত জমি ইজারা দেওয়ার বিরোধিতা করেছিলেন এবং এটিকে শরণার্থী শংসাপত্র বলে অভিহিত করেছিলেন। চা বাগানের ৩০ শতাংশ জমি পুঁজিপতিদের দেওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বলেন যে আমরা শতাব্দীর বেশি সময়  ধরে এখানে বাস করে আসছি। কিন্তু রাজ্যের শাসক দল ও মুখ্যমন্ত্রী  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের জমি ছিনিয়ে নিয়ে পুঁজিপতিদের হাতে তুলে দিতে চলেছেন।
আমাদের শরণার্থী করে হোটেল-রেস্তোরাঁ খুলে কলকাতার শিল্পপতিদের এখানে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করব। এর জন্য তিনি সমস্ত শাখা সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এর বিরোধিতা করার আহ্বান তিনি জানিয়েছেন। বার্লার নাম না নিয়ে তিনি বলেন যে কিছু নেতা নিজেদেরকে উপজাতি নেতা বলে নিজেদের জাতের মানুষকে বোকা বানাচ্ছেন। তিনি এক দল ছেড়ে অন্য দলে যোগদানকারী নেতাদের পল্টু রাম বলে অভিহিত করেছেন। সবার সময় আসবে। জনগণ সবকিছু দেখছে এবং সময় এলে সবাই জানতে পারবে।
Advertisement
Live Cricket Score
upskillninja