#মালবাজার: বুধবার ছিল শিবরাত্রি। সকাল দশটা নাগাদ চতুর্দশী তিথি শুরু হয়ে যায়। চতুর্দশী শুরু হতেই বিভিন্ন মন্দিরে, গৃহস্থের বাড়িতে শিবের পূজা শুরু হয়। মালবাজার শহর ও আশেপাশের এলাকার শিব মন্দির গুলিতে ভিড় দেখা যায়। শহর ও গ্রামের মন্দিরের পাশাপাশি গরুমারা অভয়ারণ্যের মাঝে মহাকাল ধামে দেখা গেল উপচে পড়া ভীড়। গরুমারা অভয়ারণ্যের মাঝে জাতীয় সড়কের পাশে মহাকাল ধাম ডুয়ার্সের পুরানো শিবের উপাষনা কেন্দ্র।

এই ধামের বৈশিষ্ট্য এখানে বিশেষ কোন মূর্তি নেই, কতগুলো শিলাখণ্ড প্রতিষ্ঠিত। নিয়মিত সেবাইত নেই। বড়দীঘি চা বাগানের একটি আদিবাসী পরিবার রক্ষণাবেক্ষণ পরে চালা হীন এই ধামে বহু মানুষ নিয়মিত পূজা দিয়ে যান। এই জায়গার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হল, এখান দিয়েই বনাঞ্চলের পথে জাতীয় সড়ক পেরিয়ে বনের হাতির দল যাতায়াত করে। বুধবার সকালেও হাতি দেখা গেছে। সেই ভয় উপেক্ষা করে বেলা গড়াতেই ভীড় বাড়তে শুরু করে। ধূপ বাতি জ্বালিয়ে, শিব জ্ঞানে শীলাখণ্ডের উপর দুধ জল ফুল বেলপাতা দিয়ে ভক্তি সহকারে পূজা করলেন অনেকে।

বন বিভাগের পক্ষ থেকে পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। এইরকম পরিবেশে চালসার ন্যাচার স্টাডি এন্ড অ্যাডভেঞ্চার সোসাইটি মানুষের মধ্যে বন্যপ্রাণ নিয়ে সচেতনতার আয়োজন করলেন। আগত পূন্যার্থীদের বন্যপ্রাণীর গতিবিধি ও অভ্যাস বোঝালেন। বিকেলের আগেই স্থান ত্যাগ করে বাড়ি ফেরার বিষয়ে পরামর্শ দিলেন। সোসাইটির কর্ণধার মানবেন্দ্র দে সরকার বলেন, প্রতিবছর এখানে শিবরাত্রি উপলক্ষে ভিড় হয়। এছাড়াও যাতায়াতের পথে বহু মানুষ পূজা দেয়।
বনদপ্তরে পক্ষ থেকেও মানুষকে সচেতন করা হয়।








