#মালবাজার: সিম জালিয়াতি কাণ্ডে মালবাজার শহরের ডেইলি মার্কেট এলাকায় সোমবার সন্ধ্যায় হানা দিল মাল থানার পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করল সিম কার্ড ও মোবাইল ফোন। দোকান মালিক পলাতক দুই কর্মীকে আটক করল পুলিশ। গত বেশ কিছুদিন যাবৎ ডুয়ার্স ও জলপাইগুড়ি জেলা জুড়ে জাল সিমের কারবার ছড়িয়ে পড়েছিল। জেলা পুলিশ ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে এবং বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়ে জাল সিমেমের চক্রদের ধরতে তৎপরতা বাড়িয়েছে।

জানা গেছে, কোন একজন ব্যক্তি কোন দোকানে মোবাইল ফোন কেনার পর যখন নতুন সিম ফোনে লাগানোর জন্য সিম কার্ড কিনতে যান সেই সময় কিছু অসাধু দোকানে আধার কার্ডের সঙ্গে একাধিকবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে নেয়। ক্রেতা কে একটি সিম দিয়ে বাদবাকি ফিঙ্গার মাধ্যমে আরো কয়েকটি সিম সেই ক্রেতার নামে করিয়ে নেন। তারপর সেই সব সিম এদিক ওদিক চক্রের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে। কোন সময়ে সেই সব সিম দিয়ে অবৈধ কল সেন্টার চালায়, ব্যাংক জালিয়াতি থেকে নানা অবৈধ কাজকর্ম চালায়।

অনেক সময় এই সব সিম চলে যায় সন্ত্রাসবাদীদের হাতে। সম্প্রতি জেলা পুলিশ ছানবিন করে নাগরাকাটা ব্লকের সুখানী বস্তির সুনীল প্রসাদ , মেটেলি ব্লকের বিধাননগর এলাকার অর্নব দত্ত এবং বড়দীঘি এলাকা থেকে
নরেন্দ্র ঠাকুর নামের তিন জনকে গ্রেপ্তার করে।
অভিযান অব্যাহত রাখতে সোমবার সন্ধ্যায় মাল থানার পুলিশ মালবাজার ডেইলি মার্কেট এলাকায় একটি মোবাইলের দোকানে হানা দেয়।

দোকানের দুই কর্মীকে আটক করে এবং বেশ কিছু মোবাইল ফোন সিম অন্যান্য নথিপত্র বাজায়াত্ত করে। দোকান মালিক আনোয়ার হোসেন এই ঘটনার পর থেকে পলাতক। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একই ব্যক্তির নামে একাধিক সিম এইসব মোবাইল জালিয়াতরা ব্যবহার করত। মালবাজার শহরের এক মহিলার নামে সিম কার্ড দিল্লিতে অবৈধ কাজে ব্যবহার হয়েছে বলে জানা গেছে।







