#মালবাজার: আফগান নাগরিকদের জন্ম মৃত্যুর শংসাপত্রের বিষয় আবারো মাল পৌরসভা কে খবরের শিরোনাম করলো। এদিন সংশ্লিষ্ট কর্মীকে এ বিষয়ে দায়ী করলেন মাম পৌরসভার চেয়ারম্যান স্বপন সাহা। জানাগেছে, মাল পৌরসভা থেকে ১৫ জন আফগান নাগরিকদের জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল। যার ভিত্তিতে ছয়টি পাসপোর্ট তৈরি হয়। কিভাবে এই শংসাপত্র দেওয়া হলো তা জানতে চেয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই গত নভেম্বর মাসে চিঠি দেয়। জবাব না পেয়ে আবারো ৯ ডিসেম্বর মাল পৌরসভা কে চিঠি দেয় সিবিআই।

সেই চিঠি প্রাপ্তির পর জন্ম মৃত্যু নিবন্ধিকরন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী প্রসেনজিৎ দত্তকে গত ১৬ ডিসেম্বর শো-কজ করে মাল পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয় এবং তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। পর থেকে প্রসেনজিৎ দত্ত গা ঢাকা দেন। চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ দত্তের বিরুদ্ধে মাল থানায় লিখিত এজাহার করে। ২১ দিন বাদে প্রসেনজিৎ দত্ত অজ্ঞাতস্থান থেকে শোকজের জবাব দেন। সেই জবাব পৌরসভায় আসে গত ১১ ই জানুয়ারি।

সেই জবাবী চিঠি কোন ভাবে একটি সংবাদমাধ্যমের হাতে আসে। এবং এ নিয়ে সংবাদ পরিবেশিত হয়। সেই চিঠিতে প্রসেনজিৎ দত্ত চেয়ারম্যান কে জানিয়েছেন যে তার নির্দেশে সমস্ত কাজকর্ম হয়েছে। এই খবর প্রকাশিত হতে মঙ্গলবার চেয়ারম্যান স্বপন সাহা সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, কাজের কাজের প্রয়োজনে বিভিন্ন কর্মীকে ডিজিটাল সিগনেচার অথরিটি দেওয়া হয়। কেউ যদি অপব্যবহার করে তবে সেটা ফিরিয়ে নেওয়া হয়। তার কাছে জবাব দেওয়া হয় কেন সে করেছে?

সংশ্লিষ্ট কর্মীকে তিন দিনের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল কিন্তু, তিনি এক মাস বাদে জবাব দিচ্ছেন। এসব ভিত্তিহীন আমার প্রতি দুর্নাম করার চেষ্টা। আফগান নাগরিকদের যেসব শংসা পত্র দেওয়া হয়েছে তার তার দায়িত্ব ওই কর্মীর। তিনি কিভাবে গিয়েছেন তা তিনি জানাতে পারবে। আমরা পুলিশকে সব তথ্য দিয়েছি। পুলিশ তদন্ত করছে। অপরদিকে জানা গেছে, প্রসেনজিৎ দত্ত এখনো পর্যন্ত গা ঢাকা দিয়ে আছেন । এনিয়ে আবারও শহরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।







