#মালবাজার: দ্বিতীয় দিনেও মাল পৌরসভা অস্থায়ী কর্মীদের মজুর জট মিটলো না। তবে অস্থায়ী কর্মীরা জরুরি পরিসেবা স্বাভাবিক রাখার আশ্বাস দিলেন। ডুয়ার্সের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক পৌরসভা যার নাম মালবাজার। প্রায় ৩৫০ জন অস্থায়ী পৌর কর্মী নিয়ে রয়েছেন। এদের মধ্যে সাফাই কর্মী, ইলেকট্রিশিয়ান, সুপারভাইজার সহ অন্যান্য কর্মী রয়েছেন। গত তিন মাস যাবত এইসব কর্মীরা তাদের মজুরি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। মজুরির দাবিতে গতকাল পৌরসভার মূল গেট আটকে অস্থায়ী পৌর কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান এবং বকে মজুরি একবারে দেওয়ার দাবি জানান। গতকাল তাদের অবস্থান জলে প্রায় বিকেল পর্যন্ত।

কিন্তু, পৌর কর্তৃপক্ষ থেকে কোন আশ্বাস না পাওয়ায় কর্মীরা কেউ কাজ করেনি। বৃহস্পতিবার রাতে মালবাজার শহর এক প্রকার ব্ল্যাক আউট ছিল। রাস্তায় আলো জ্বলে নি। শুক্রবার সকালে সাফাই কর্মীরা না আশায় সাফাই হয়নি। এইরকম পরিবেশে শুক্রবার আবারো অস্থায়ী কর্মীরা অবস্থান বিক্ষোভ সামিল হয়। পৌর সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান ও পৌর আধিকারিকগণ দফায় দফায় বৈঠক করেও বিকেল পর্যন্ত কোন সমাধান সূত্র বার করতে পারেননি। অন্যদিকে অস্থায়ী পৌরকর্মীরা তাদের দাবিতে অনর থাকে।

পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ি জানান, বর্তমান পৌরসভার ফান্ডের যা অবস্থা তা থেকে শ্রমিকদের দুই মাসের ও অস্থায়ী কর্মীদের তিন মাসের মজুরি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। চেষ্টা করা হচ্ছে আগামী ১০ই জানুয়ারির মধ্যে এক কিস্তি ও এ মাসের শেষ দিকে আরো এক কিস্তি দেওয়া হবে। পৌর কর্তৃপক্ষের এই প্রস্তাব মেনে নেয়নি অবস্থানরত শ্রমিক কর্মীরা।তারা জানান, আমরা স্বাস্থ্য, জল, অ্যাম্বুলেন্স ও পথবাতি পরিসেবা চালু রাখব।

এই রকম পরিবেশে পরিস্থিতি ক্রমাগত জটিল হয়ে উঠছে। গত দুই দিনে জায়গায় জায়গায় আবর্জনার স্তুপ জমে উঠেছে। পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুরজিৎ দেবনাথ জানান, জঞ্জাল সাফাই না হওয়ায় ইতিমধ্যে জঞ্জাল জমতে শুরু হয়েছে। মজুরি না পাওয়ায় অনেক অস্থায়ী কর্মী কাজে আসছে না ফলে সমস্যা হচ্ছে। এ নিয়ে শহরবাসীর প্রশ্ন কবে সমস্যা মিটবে কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে?







