
#মালবাজার: বছরের শেষ দিনে মেটেলি ব্লকের বিধান নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষুদিরাম পল্লী এলাকায় জেলা পরিষদের নির্মায়মান রাস্তায় নিম্নমানের কাজ নিয়ে প্রতিবাদে বিক্ষোভ গ্রামবাসী দের। মালবাজার শহর লাগোয়া বিধাননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে থাকা ক্ষুদিরামপল্লি এক ক্ষুদ্র জনপদ। গত দেড় সপ্তাহ আগে জেলা পরিষদের অধীনে এলাকার দেড় কিলোমিটার রাস্তার কাজ শুরু হয়।

যা এখনো চলছে। কিন্তু শুক্রবার তৈরি হওয়া রাস্তার অংশটুকু পায়ের অল্প ঘষাতেই পিচ উঠে যাচ্ছে,বাইকের স্ট্যান্ড নামালেও ফুটো হয়ে ঢুকে যাচ্ছে, ও ঠিকাদার কোন কথা শুনছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। বিজেপির ক্ষুদিরাম পল্লী এলাকার নেতা বলরাম ঘোষ বলেন, “দীর্ঘ ৪০ বছর পর আমরা এই রাস্তাটা পেয়েছি জেলা পরিষদের সদস্য রেজাউল বাকির চেষ্টায়। কিন্তু কাজটি এতই নিম্নমানের হয়েছে যে আমাদের এলাকার মানুষরা সেটা স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছি।

কন্ট্রাক্টর কে বলে কোন লাভ হচ্ছে না। কথা শুনছে না। আমরা বি ডিও এসডি ও সব লেবেলের পৌঁছাব এই নিম্ন মানের কাজের বিরুদ্ধে”। সিপিআইএমের মিটিলি এরিয়া কমিটির সম্পাদক রানু ওরাও বলেন, “এই নিম্নমানের কাজ ২০১১ সাল থেকে শুরু হয়েছে। আমরাও এগুলা কাজের প্রতিবাদ করি। যেটা ভালো সেটাকে ভালো বলবো,যেটা খারাপ সেটাকে অবশ্যই খারাপ বলব”।

এলাকার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য মঞ্জুরানি বিশ্বাস এ সব কথা মানতে নারাজ। তিনি বলেন যেদিন কাজ শুরু হয়।আমি সবার কাছ থেকে মতামত নেওয়ার চেষ্টা করেছি এবং সবাইকে দেখিয়েছি।সবাই বলেছে, ঠিক আছে এখন কেন সবাই উল্টো বলছে”।

পঞ্চায়েত সদস্যার দাবি মানতে চাচ্ছেন না এলাকাবাসী ও বিরোধীরা। তাদের দাবি পঞ্চায়েত সদস্যা নিজের গায়ের জোরে এগুলা বলছেন। একটা কাজ হওয়ার পর কয়েক ঘন্টা সময় দিতে হয়।তারপরই বোঝা যায় সেই কাজটা কতটা খাঁটি হয়েছে।পঞ্চায়েত সদস্যার ব্যক্তিগত টাকার কাজ না।এটা দশ জন মানুষের টাকার কাজ, জনসাধারণের কাজ। এটা নিয়ে আমরা খামখেয়ালি হতে দিব না।

যার চেষ্টায় ২০.৩৩ লক্ষ টাকায় এই রাস্তার কাজ হচ্ছে সেই জেলা পরিষদ সদস্য রেজাউল বাকি বলেন, আমি গতকাল রাস্তার কাজ দেখে এসেছি। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ শুনেছি। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে বলেছি, ভালো ভাবে কাজ করতে।যাতে এলাকার মানুষ রাস্তা ব্যবহার করতে পারে।






