#মালবাজার: শহরের ঘড়ি স্তম্ভের ঘড়ি উধাও, জ্বলে না রঙিন আলো। বন্ধ হয়ে রয়েছে থানা মোরের মিউজিকাল ওয়াটার ফাউন্টেন। বাস স্ট্যান্ডের পানীয়জলের প্রকল্প অকেজো হয়ে রয়েছে। শহরে সৌন্দর্য বাড়াতে পর্যটকদের টানতে এই রকম কয়েকটি প্রকল্প তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে সেগুলো বিকল হয়ে রয়েছে। এতেই হতাশ শহরে ঘুরতে আসা পর্যটক থেকে সাধারণ মানুষ। মাল পৌরসভায় তৃনমুল কংগ্রেস একক ভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠা লাভ করার পর শহরের সৌন্দর্য বাড়াতে একাধিক প্রকল্প গ্রহণ করেছিল। 

যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল স্টেশন রোডের চৌরাস্তা মোরে গত কয়েক বছর আগে তৈরি হয়েছিল লন্ডনে বিখ্যাত ওয়াচ টাওয়ারের আদলে এক সুউচ্চ ঘড়ি স্তম্ভ। চূড়ার চারদিকে ছিল বিশাল ঘড়ি ও স্তম্ভের প্রতিটি ধাপে ছিল রঙিন আলোর বিকিরণ।৷ ঘন্টায় ঘন্টায় অনুরনন শব্দে সময় জানান দিত। এহেন ঘড়ি স্তম্ভের ঘড়ি গত বেশকিছু দিন থেকে দেখা যাচ্ছে না। জ্বলে না রঙিন আলো। বড়দিনের উৎসবে এই ঘড়ি স্তম্ভের নিচে সাজানো হয়েছিল। সমাগম হয়েছিল বহু মানুষ। ঘড়ি স্তম্ভের এই দশা দেখে বহু মানুষ হতাশ।

ওই একই সময়ে সুভাষ মোর এলাকায় নির্মিত হয়েছিল মিউজিকাল ওয়াটার ফাউন্টেন। প্রতি সন্ধ্যায় সুমধুর বাজনার সাথে জলের ফোয়ারা দেখতে মানুষের ভীড় লেগে যেত। অনেকে সেল্ফি তুলতেন। সেই মিউজিকাল ওয়াটার ফাউন্টেন বেশ কিছুদিন থেকে বন্ধ। অকেজো হয়ে রয়েছে মেসিন পত্র। মালবাজার বাস টার্মিনাস নবরুপে তৈরির পর পানীয়জলের অভাব মেটাতে তৈরি হয়েছিল বিশুদ্ধ পানীয় জলের প্রকল্প। কয়েক মাছ যাবৎ বন্ধ হয়ে রয়েছে সেই প্রকল্পের স্থান। অকেজ মেশিনপত্র, আগাছায় ঢাকা পড়েছে জলের ট্যাপ।

এসব দেখেই হতাশ স্থানীয় মানুষ থেকে বহিরাগত পর্যটকরা। যদিও আশার কথা শুনিয়েছেন মাল পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ি। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, দ্রুত বোর্ড মিটিং ডেকে বিষয় গুলি নিয়ে আলোচনা করে মেরামত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। আবার আগের মতই সক্রিয় হয়ে উঠবে এই প্রকল্প গুলো।







