#মালবাজার: আফগান নাগরিকদের জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র প্রদান। এবার সিবিআইয়ের জেরা মুখে মাল পৌরসভা। এইমর্মে মাল পৌরসভাকে নোটিশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। এনিয়ে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, গত কয়েক বছর আগে মাল পৌরসভা ১৫ জন আফগান নাগরিকদের জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র দিয়েছিল। যার মধ্যে ৬ জনের জন্ম শংসাপত্র ৯ জনের মৃত্যু বিষয়ক শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল। গত কয়েক মাস আগে দিল্লি পুলিশের হাতে ৬ জন আফগান নাগরিক অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে গ্রেপ্তার হয়।

তাদের কাছে ভারতীয় পাসপোর্ট পাওয়া যায়। সেই বিষয় নিয়ে তদন্তে নেমে সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা জানতে এই ৬ জন আফগান নাগরিক ও তাদের আত্মীয়সজন মিলিয়ে ১৫ জনের জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র দিয়েছিল ডুয়ার্সের মাল পৌরসভা। এই চোখ কপালে ও সবার। সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে গত নভেম্বর মাসে মাল পৌরসভার জন্ম- মৃত্যু নিবন্ধিকরন বিভাগে কিসের ভিত্তিতে এই শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়ে নোটিশ দেয়। তারপর আবার গত ৫ ডিসেম্বর আবার পৌরসভাকে নোটিশ দিয়ে সব তথ্য জানতে চায় সিবিআই।

এই ঘটনায় যথেষ্ট সোরগোল পড়েছে শহরে। এনিয়ে মাল পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ি বলেন, গত ৮ নভেম্বর এনিয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও সেই নোটিশ আমরা পাইনি। গত ৫ডিসেম্বর আবার নোটিশ করেছে। সেটা পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বে থাকা আধিকারিককে লিখিত ভাবে জানান হয়েছে যে যেসব নথিপত্র আছে তা যথাযথ ভাবে নোটিসের জবাবে পাঠানো হোক।
আমরা একদুই দিনের মধ্যে পাঠিয়ে দেব।
উৎপল বাবুকে আরও প্রশ্ন করা হয়, মাল পৌর সভার দেওয়া শংসাপত্রের ভিত্তিতে পাসপোর্ট তৈরি হয়েছে। এতে জাল পাসপোর্ট তৈরির কারবারিদের সঙ্গে মাল পৌরসভার নাম জরিয়ে পড়লো কি বলবেন?

জবাবে তিনি বলেন, পাসপোর্ট আমরা দেই না।
উপযুক্ত নথিপত্রের ভিত্তিতে জন্ম- মৃত্যুর সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। সেটা যা আছে তা পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এনিয়ে শহরে যথেষ্ট সোরগোল পড়েছে। সরব হয়েছেন বিরোধীরা। বিজেপির মাল টাউন মন্ডল সভাপতি নবীন সাহা বলেন, আমরা আগাগোড়া বলে এসেছি মাল পৌরসভা একটা দূর্নীতিগ্রস্ত পৌরসভা। এরা টাকার জন্য সব করতে পারে।







