
#মালবাজার: স্ত্রী কে সঙ্গে নিয়ে মিষ্টির দোকানে খেতে গিয়েছিলেন খাবার। খাবার পরিবেশন করাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন তুলতেই হেনস্থার স্বীকার হতে হলো মালবাজার শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সত্যনারায়ণ মোড়ের বাসিন্দা পেশায় প্রাথমিক শিক্ষক প্রদ্যুম্ন দাশগুপ্ত এবং তার স্ত্রী বর্নালী দাসগুপ্তকে।

ঘটনাটি ঘটেছে, মালবাজার শহরের বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া একটি খাবারের দোকানে। দোকানীর খাওয়ার পরিবেশন নিয়ে প্রশ্ন করতেই। প্রথমে বচসা তারপর হাতাহাতি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল দোকান মালিকের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত জানা যায়, প্রদ্যুম্ন দাশগুপ্ত ও তার স্ত্রী ওই দোকানে খাবার খেতে গিয়েছিলেন। খাবার দিতে দেরি হওয়ায় দোকান মালিককে প্রশ্ন করতেই তার ছেলে সুরজ পন্ডিত এবং পরিবারের কয়েকজন অকথ্য ভাষায় কথা বলতে শুরু করে বলে অভিযোগ।

বচসা চলাকালীন প্রদ্যুম্ন বাবুর ওপর আক্রমণ করা হয় এবং মাথায় আঘাত করা হলে মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে শুরু করে। পাশাপাশি প্রদুম্ন বাবুর স্ত্রীকে শ্লীলতাহানিও করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত প্রদ্যুম্ন দাশগুপ্তকে মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তার মাথায় চারটি সেলাই দিতে হয়।

অভিযোগের ভিত্তিতে মাল বাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ওই দোকানের মালিক বৈজুনাথ পণ্ডিতকে গ্রেফতার করেছে। ছেলে সুরজ প্রসাদ ফেরার। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অপর দিকে দোকানী বৈজনাথ প্রসাদের স্ত্রী সুদামা দেবী জানান, আমি আমার স্বামী ও কন্যা মিলে দোকান চালাই। উনি ডালপুরি খেতে এসেছিলেন। খাওয়ার পরিবেশন করতে একটু দেরী হতেই উনি রেগে গিয়ে গালাগাল দেন এবং দোকানের খাওয়ারে থুতু দিতে শুরু করেন।

বাধা দিতেই আমার স্বামী ও ছেলের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। এতেই পড়ে গিয়ে জখম হয়। জানাগেছে, প্রদ্যুম্নবাবু শিক্ষক হলেও তার স্ত্রী একজন সমাজ কর্মী। এহেন নিপাট ভদ্র দম্পতির উপর আক্রমণের ঘটনায় অনেকে ক্ষুব্ধ।






