#মালবাজার: ডু য়ার্সের এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ শহর মালবাজার। জেলার দ্বিতীয় মহকুমা শহরে রয়েছে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার দোকান, মল সহ অন্যান্য কার্যালয়। পাশেই আছে একাধিক সেনাবাহিনীর ছাউনি। উত্তর-পূর্ব ভারতের সাথে সড়কপথে এবং রেলপথে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম শহর মালবাজার। মাল বাজার শহরের নিউমাল জংশন স্টেশন থেকে রেলপথে খুব সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় উত্তর পূর্ব ভারতের বিভিন্ন শহরে।

দিনরাত হাজার হাজার সেনাবাহিনীর গাড়ি চলাচল করে মালবাজারের ওপর দিয়ে। যাতায়াত করে পাশের দেশ ভুটানের যানবাহন।
গত কয়েক বছর ধরে মালবাজার শহরকে কেন্দ্র করে গজিয়ে উঠেছে একাধিক বেআইনি চক্র।ঘটছে চুরি, ছিনতাই সহ মহিলাদের প্রতি ইভটিজিং। এই রকম পরিবেশে বড়সড়ো কোন দুর্ঘটনা বা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ ঘটলে প্রমাণ হিসেবে পুলিশের হাতের নাগালে থাকবে না কিছুই। কারণ মালবাজার মহকুমা শহরের অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা বিকল অবস্থায় পড়ে আছে। এর আগেও একাধিকবার সিসি ক্যামেরা বসানো হলেও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেই ক্যামেরা বর্তমানে অকেজো।

জানাগেছে, ২০১৯ সালে মালবাজার শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোট ২৪ জোরা সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছিল মালবাজার পৌরসভা। নিরাপত্তা জনিত কারণে মালবাজার সুভাষ মোড়, ঘড়ি মোড়, ক্যালটেক্স মোড়, মালবাজার বাস স্ট্যান্ড, পম্পা সিনেমা হল এবং স্টেট ব্যাংকের সামনে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়। বর্তমানে প্রতিটি ক্যামেরা বেহাল অবস্থায় অকেজো হয়ে আছে। যেকোনো চুরি, ছিনতাই বা দুর্ঘটনা ঘটলে পুলিশের ভরসা সেই কোন বেসরকারি দোকান অথবা শপিংমলের সিসি ক্যামেরা। পুলিশ মহলের একাংশ কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন, বিভিন্ন তদন্তের সময়ে সিসি ক্যামেরা না থাকায় পুলিশকে সমস্যায় পড়তে হয়।

সিসি ক্যামেরার রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে উদাসীন মালবাজার পৌরসভা এবং পুলিশ প্রশাসন বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকল সিসি ক্যামেরা গুলো প্রতিস্থাপন করার জন্য বহুবার মালবাজার পৌরসভায় জানানো হয়েছিল, কিন্তু পুলিশের কথাতে কোনো কাজ হয়নি। যদিও পৌরসভার পক্ষ থেকে ক্যামেরা গুলিকে পুনরায় কার্যকর করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। মালবাজারের নাগরিক মহল থেকে দাবি উঠছে, শহরের সুভাষ মোড়, ক্যালটেক্স মোড়, বাসস্ট্যান্ড, ঘড়ি মোড় সহ সত্যনারায়ণ মোড়, হাসপাতাল মোড়, গুরজং ঝোরা মোড়, পোস্ট অফিস মোড়, রায় এন্ড কাজিন পেট্রোল পাম্পের কাছে সিসি ক্যামেরা বসানো হোক। তবে সিসি ক্যামেরা রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে পৌরসভা এবং পুলিশ প্রশাসন এতটা উদাসীন কেন সেই বিষয়ে শহর জুড়ে চলছে সমালোচনা।







