
#মালবাজার: দ্বাদশ বর্ষীয় কিশোরীকে বাড়ির উঠোন থেকে টেনে জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার পর ডুয়ার্সের নাগরাকাটা ব্লকের খেরকাটা বস্তিতে খাঁচা বন্দী হল চিতাবাঘ। অনুমান করা হচ্ছে খাঁচা বন্দী হওয়া চিতাবাঘটিই কিশশোরীকে উঠান থেকে টেনে নিয়ে গিয়ে মেরে ছিল।

উল্লেখ্য গত ১৯ শে অক্টোবর ডুয়ার্সের নাগরাকাটা ব্লকের ডায়না রেঞ্জের দক্ষিন খয়েরকাটা গ্রামের বাড়ির উঠোন থেকে সুশীলা গোয়ালা নামের ১২ বছরের কিশোরীকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল চিতাবাঘ। পরবর্তীতে কিশোরীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল জঙ্গল থেকে।এরপরেই সেদিন রাতে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল ডায়না জঙ্গল সংলগ্ন দক্ষিন খয়েরবাড়ি এলাকায়।এরপর বন দফতরের পক্ষ থেকে জঙ্গলের বিভিন্ন এলাকায় ঘাতক চিতা বাঘের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে বসানো হয় ট্র্যাপ ক্যামেরা।পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরেই পাতা হয় দুটি খাঁচা।

সোমবার সকালে চিতা বাঘের গর্জন শুনে খাঁচার সামনে ভিড় জমায় গ্রামবাসীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বনকর্মীরা। খাঁচাটি খানিকটা দূর্বল থাকায় চিতা বাঘটিকে ঘুম পড়ানি গুলি করে গরুমারা প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বনদফতর সূত্রে খবর, সোমবার সকালে যে চিতা বাঘটি খাঁচা বন্দী হয়েছে তার সঙ্গে ট্র্যাপ ক্যামেরায় ওঠা চিতা বাঘের ছবি মিলে যাচ্ছে। যে কারনে অনুমান করা হচ্ছে সম্ভবত এটাই সেই ঘাতক চিতাবাঘ।

খুনিয়া বন্যপ্রান স্কোয়ার্ডের রেঞ্জার সজল কুমার দে জানান, ধৃত চিতাবাঘটিকে লাটাগুড়ি প্রকৃতি বিক্ষন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হবে।সেখানে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে।
তবে স্থানীয়দের ঘাতক এই চিতাবাঘটি দূরের জলদাপাড়া এলাকায় ছেড়ে দেওয়া উচিত। আশেপাশের জঙ্গলে ছাড়লে আবার ফিরে আসবে।






