#মালবাজার: দুদিনের টানা বৃষ্টিতে তিস্তায় আবার জলস্ফীতি জলমগ্ন হয়ে পড়লো মাল ব্লকের টটগাও এবং ক্রান্তি ব্লকের বিভিন্ন স্থান। বন্যা পরিস্থিতি দেখতে এসে মানুষের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেনী কল্যাণ মন্ত্রী বুলু চিকবরাইক। ভাদ্র মাসের টানা দাবাদহের গত বৃহস্পতিবার থেকে আকাশে মেঘের আনাগোনা শুরু হয়। সন্ধ্যা থেকেই আকাশ নেমে আসে বর্ষন। কখনো প্রবল বেগে আবার কখনো ঝিরিঝিরি বৃষ্টি চলতে থাকে। শুক্রবার দিন ও রাতে টানা বৃষ্টি তিস্তা সহ বিভিন্ন নদীতে জলস্ফীতি ঘটে।

এর জেরেই নদীর জল ঢুকে জলমগ্ন হয়ে পড়ে মাল ব্লকের টটগাও সহ ক্রান্তি ব্লকের বিভিন্ন এলাকা। চলতি বছর আষাঢ় মাসের তিস্তার জলচ্ছাসে টটগাও বস্তির আবাদি জমি ও প্রায় ৬০ বাড়ি তিস্তার গর্ভে চলে গেছে। এখনো বহু মানুষ ত্রান শিবির সহ এদিক ওদিক থাকতে শুরু করেছিল ভাদ্র মাসের টানা দেওয়ায় অনেকেই গ্রামে ফিরতে শুরু করেছিল। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার রাত থেকে আবার জল ঢুকতে শুরু করলে গ্রামবাসীদের আতংক সৃষ্টি হয়। শনিবার সকালে দেখা যায় গোটা এলাকার বাড়িঘর জলমগ্ন। তিস্তার জল হু হু করে গ্রামে ঢুকছে।

গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ত্রান-সাহায্য করা শুরু হয়েছে। মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
অপর দিকে ক্রান্তি ব্লকের চ্যাংমারি ও চাঁপাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের নেউলাবস্তি, সাহেববাড়ি, পুর্ব দোলাইগাও সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম তিস্তার জলচ্ছাস ও আকাশের বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শনিবার সকালে রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেনী কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী বুলু চিকবরাইক ক্রান্তি ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় যান।

সঙ্গে ছিলেন বিডিও সহ প্রশাসনের কর্মীরা। তারা বন্যা পীড়িতদের সঙ্গে কথা বলেন। পলিথিন চাদর সহ অন্যান্য ত্রান-সাহায্য বন্যাদুর্গতদের হাতে তুলে দেন। শনিবার দুপুরের পর থেকে আবারও প্রবল বর্ষন শুরু হতেই মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে দেখা যায়।






