#মালবাজার: কোথাও বোনাস পেয়ে শ্রমিকদের মধ্যে খুশির হাওয়া আবার কোথাও বোনাসের দাবীতে জাতীয় সড়ক ও সার্ক রোড অবরোধ করলো একাধিক চাবাগানের শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার এইরকম খন্ডচিত্র দেখা গেল চাবাগান অধ্যুষিত ডুয়ার্স এলাকায়। গত ২২ সেপ্টেম্বর কলকাতার বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স ভবনে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের মধ্যে দিয়ে ডুয়ার্সের চাবাগান গুলির বোনাস প্রদান নিয়ে চুক্তি হয়।

চুক্তি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৬ % হারে বোনাস দেওয়ার বিষয় নিয়ে চাবাগান মালিকদের সন্মেলিত সংগঠন সিসিপিএ’য়ের সঙ্গে শ্রমিক সংগঠন গুলির চুক্তি হয়। কয়েকটি চাবাগানের ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত কম হারে বোনাস ঘোষিত হয়। বোনাস ঘোষিত হতেই সাইলি, বাতাবাড়ি সহ ডুয়ার্সের বিভিন্ন চাবাগান গুলিতে ২০ শতাংশ হারে দেওয়ার দাবি নিয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়।
পাশাপাশি কয়েকটি চাবাগানের শ্রমিকরা চুক্তি মতো ১৬ % হারে বোনাস হাতে নিয়ে পুজোর কেনাকাটা শুরু করে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই মাল ব্লকের পাথরঝোড়া, নিদাম সহ কয়েকটি বোনাস দেওয়া হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার দেখা গেল বোনাস প্রদান চলছে। শ্রমিকদের মধ্যে খুশির হাওয়া দেখা গেছে।

এরই পাশাপাশি বৃহস্পতিবার নাগরাকাটা ব্লকের লুকসান চাবাগানের শ্রমিকরা ২০% বোনাসের দাবীতে ১৭ নম্বর জাতীয় সরক অবরোধ করে।
শ্রমিকদের বক্তব্য, ঘোষিত ১৬% বোনাস আমরা মানছি না। কারা চুক্তি করেছে জানিনা। সারা বছর রোদ বৃষ্টিতে কাজ করতে হয়। সেখানে গত বছরের তুলনায় কম বোনাস মানা যায়না।
বানারহাট ব্লকের পলাশবাড়ী চাবাগানের শ্রমিকরা এদিন ২০% হারে বোনাসের দাবীতে সার্ক রোড অবরোধ করে। আমবাড়ি চাবাগানের শ্রমিকরা কারখানা গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখায়।

সর্বত্র বোনাস চুক্তি নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। গত বছর ১৯% হারে বোনাস দেওয়া হতেছিল। এবার ৩% কমে যাওয়ায় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
যদিও চাবাগান মালিক পক্ষের বক্তব্য, বাস্তবে চাবাগান গুলি সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে চলছে।বহু চাবাগান আর্থিক সমস্যায় রয়েছে। সবার সহমত নিয়ে চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। এটা শ্রমিকদের বোঝা উচিত।






