
#মালবাজার: দলের দুই কাউন্সিলর ও বিজেপির এক আইনজীবীর ষড়যন্ত্রে এসব হয়েছে। ৪০ বছর দল করার পর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি”। সদ্য দলের সমস্ত পদ থেকে নিলম্বিত হওয়ার পর মাল পৌরসভার চেয়ারম্যান স্বপন সাহা এমনটাই জানালেন। শুধু তাই নয়, তিনি আরও বলেন, আমার দুটো অ্যাকাউন্ট আছে সেই দুটি অ্যাকাউন্টের কপি আপনাদের দেব। দেখবেন কোথায় ১২০ কোটি টাকা ঢুকেছে?

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, যারা বলছে ১২০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা করব।
মঙ্গলবারই জলপাইগুড়ি শহরে সাংবাদিক সন্মেলন করে জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপ জানিয়েছেন যে স্বপন সাহা কে অনিদ্বিষ্ট কালের জন্য দলের সমস্ত পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি দলের কোন কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না।

এই ঘোষণার পর থেকে দফায় দফায় দলীয় কর্মী ও সমর্থকরা তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। সন্ধ্যা নাগাদ একটি গাড়িতে চেপে স্বপন সাহা পৌরসভা ভবনে আসেন কিন্তু, গাড়ি থেকে না নেমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভের সঙ্গে এই কথা বলেন। মালবাজার তথা ডুয়ার্সের রাজনীতিতে স্বপন সাহা এক উল্লেখযোগ্য নাম। ছাত্রাবস্থা থেকেই কংগ্রেসি রাজনীতি সঙ্গে যুক্ত হন। তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হওয়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের এক কর্মী হিসাবে যোগ দেন।

১৯৯৮ সালে পৌরসভার ভোটে তৃণমূলের প্রতিকে জিতে পৌরসদস্য হন। সেই সময় সাময়িক ভাইস চেয়ারম্যানের পদ সামলান। সেই সময় থেকে স্থানীয় যুবদের মধ্যে তার প্রভাব বাড়তে থাকে। ২০১৪ সালে বামেদের হাত থেকে মাল পৌরসভার দখল নেন এবং চেয়ারম্যান হন। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত টানা ১০ বছর ওই পদে ছিলেন।






