#মালবাজার: মহানন্দা বন্য প্রানী অভয়ারন্যের রেঞ্জার রাজকুমার লায়েক। প্রতিবছর বিশ্বকর্মা পূজার দিন গরুমারা যান হাতি পূজা দেখতে।কিন্তু এই মঙলবারে যাওয়া হল না। দায়িত্ব পড়েছিল বনাঞ্চলের ভিতরে টহলদারির। মহানন্দা অভয়ারন্যের উত্তর রেঞ্জ দার্জিলিং বন্য প্রানী ডিভিশনের অধীনে। একটু মন খারাপ গরুমারা,যেতে না পেরে।

কর্তব্যপরায়ন মানুষটি টহলদারির সময় পাহাড়ি টাওয়ারের দিক যেতে শুনতে পেলেন হাতির ডাক।হাতির ডাক আসছে একটু থেমে থেমে।অভিজ্ঞ মানুষটি বুঝতে পারলেন হাতি বিপদে পড়েছে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দিলেন দারজিলিং বন্য প্রানী ডিভিসনের বিভাগীয় আধিকারিককে।খবর দেওয়া হল সহ বন্য প্রানী ওয়ার্ডেনকে। পুরা টিম তৈরী হয়ে যাওয়ার পর রেঞ্জার রওনা দিলেন ঘটনাস্থলের দিকে।

যে দিক থেকে হাতির ডাক আসছে সেটা পাহাড়ের ঢাল।প্রায় অন্ধকার। খুব কঠিন জায়গা। টিম রেডি হতে সবাই রওনা দিলেন। কাছাকাছি যেতে দেখলেন একটা বাচ্চা হাতি শাবক একটি গাছের দুই ডালের মধ্যে আটকা পড়ে আছে। রেঞ্জার শ্রী লায়েক জানান, ডি এফ ওর কথামত একশানের জন্য তৈরী হলাম।কুনকি হাতি আনার কথা হল। সেটা করতে অনেক দেরী হয়ে যাবে।আনতে বুধবার ভোর হয়ে যাবে।

অতক্ষন দেরী করলে লেপার্ডের পেটে চলে যাবে বাচ্চা হাতি শাবকটি। দূরে আরো অন্যান্য হাতির আওয়াজ শোনা যাচ্ছিল। দেরী না করে হাতি শাবকটিকে উদ্ধার করে মা হাতিরা যে দিকে আছে শাবকটিকে সেখানে রেখে আসলাম। ফিরে আসলাম আবাসে।মনের তৃপ্তি নিয়ে। গরুমারা না যেতে পারার আফশোস মন থেকে কখন চলে গেছে বললেন রেঞ্জার রাজকুমার লায়েক।জায়গাটা সেভকের কাছে।






