
#মালবাজার: নাগরাকাটা বিধান সভার বিধায়ক পুনা ভেংরা ও মটোর ভিকেইলস দপ্তরের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে রবিবার করমপুজার ছুটির দিনে বনধের ডাক মেটেলি, সামসিং ও চালসা এলাকার সাফারি, জিপ সহ ছোট গাড়ির চালকরা। এতেই সমস্যায় পড়ে মেটেলির চাবাগান ও প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষ।
ডুয়ার্সের প্রত্যন্ত এক জনপদ মেটেলি বাজার।

চা বাগান ও বনবস্তি অধ্যুষিত এই এলাকার মানুষজনের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান ভরসা জিপ, সাফারি সহ বেশকিছু ছোট গাড়ি। কারন চালসা থেকে মেটেলি, সামসিং যাওয়ার রাজ্য সরকে যাত্রীবাহী বাসের সংখ্যা অত্যন্ত কম থাকায় স্থানীয় লোকজনদের ছোট গাড়ির উপর ভরসা করেন। ছোট গাড়ির চালকদের সুত্রে জানাগেছে, ছোট গাড়ি ভাড়া বেশি নিচ্ছে এনিয়ে বিধায়ক মটোর ভিকেইলস দপ্তরে অভিযোগ করেন।

দপ্তরের ইনেস্পেক্টার সরোজমিন তদন্তে এসে ৮টি ছোট গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা ফাইন চার্জ করেন। এই ফাইন দেওয়া ক্ষুদ্র গাড়ি চালকদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রতিবাদ জানিয়ে ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।
চালকদের সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ বিনোদ প্রধান বলেন, বিধায়কের বাড়ি মেটেলি বাজার থেকে কয়েক কিমি দূরে ইন্ডং চা বাগানে। উনি স্থানীয় বিধায়ক আমাদের ডাকতে পারতেন।

সমস্যার উপর আলোচনা হতে পারতো কিন্তু, উনি এমভিআইকে অভিযোগ করার পর চালকদের ফাইন করা হয়েছে। ছোট গাড়ি চালকরা কেউ বড়লোক নয়। এদিক ওদিক ধার করে একটা গাড়ি কিনে তার রোজগার দিয়ে সংসার চালায়। আজ করম পুজা থাকায় বাসকে ছাড় দিয়েছি। সমস্যা না মিটলে আগামীকাল থেকে বাস ছোট গাড়ি বন্ধ থাকবে।

এনিয়ে বিধায়ক পুনা ভেংরা জানান, বন্ধ ডাকার অধিকার সবার আছে সে নিয়ে কিছু বলব না।তবে একজন সরকারি জন প্রতিনিধি হিসাবে সাধারণ অভিযোগ ও সমস্যা দেখা আমার কর্তব্য। মানুষের অভিযোগ ছিল তাই সরকারি দপ্তরে জানিয়েছি। সরকারি দপ্তরের থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এদিন এই ধর্মঘটের ফলে সমস্যায় প্রত্যন্ত চাবাগানের মানুষ।






