
#রায়গঞ্জ: আর জি করের ঘটনার বিচার চাওয়ার মাঝেই ইতিমধ্যে ঘটেছে বেশকিছু ধর্ষনের ঘটনা। তারই প্রতিবাদে ছাত্ররা মিলিত ভাবে আয়োজন করেছিল ভার্চুয়াল মিটের। কিন্তু সেখানেই অজ্ঞাত পরিচয় তিনজন যুক্ত হয়ে চালিয়ে দিল পর্ণগ্রাফি। ঘটনা ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে। ভার্চুয়াল মিটের উদ্যোক্তাদের কথায় ৩১এ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদা জেলার ছাত্র ছাত্রীরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নেয়।

প্রাইভেট মিটিং চলাকালীন হঠাৎ করেই কোনভাবে তিনজন অজ্ঞাত পরিচয় আই ডি সেই মিটে যুক্ত হয় বলে জানিয়েছেন অন্যতম উদ্যোক্তা বাপি সোরেন। তিনি জানান ওই তিনজনের মধ্যে একজন নিজেকে দিল্লি সাইবার ক্রাইম পুলিশ পরিচয় দেন এবং তিনি মিটে জানান পাকিস্থান থেকে মিটিং করা হ্যাক করা হয়েছে। তারপর ক্রমাগত তাদের ভীতি প্রদর্শন করা হয় এমনকি হোস্ট কে রিমুভ করারও চেষ্টা করেন। তারা এসবের প্রতিবাদ করতে গেলে হঠাৎ ই মিটের মধ্যেই চালু হয়ে যায় অশ্লীল ভিডিও।

ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চেয়ে ইতিমধ্যে রায়গঞ্জ সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন সাইবার ক্রাইম থেকে তাদের সুবিচারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ভার্চুয়াল মিটের হোস্ট সুমিত বাসকে জানান বর্তমান পরিস্থিতি কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে মি মিটিং শুরু হতে হতেই অজ্ঞাতপরিচয় আই ডি কোনভাবে যুক্ত হয়ে ডিসপ্লে এমন ভাবে ক্র্যাশ করে যে কিছুই করা সম্ভব হচ্ছিল না তার পক্ষে।

তারপরই অজ্ঞাতপরিচয় আই ডি থেকে হুমকি দেওয়া হয় বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন এই ঘটনায় তারা ভিত, আতঙ্কিত কিন্তু কোন কিছুতেই তাদের প্রতিবাদ থেকে সরানো যাবে না।
সাবিত্রী মুর্মু নামের রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিয়ে বলেন কিভাবে একটা প্রতিবাদ কর্মসূচির ভার্চুয়াল মিটে অজ্ঞাত পরিচয় আই ডি যুক্ত হয়ে অশ্লীল ভিডিও চালু করলেন সেটা বুঝতে পারছেন না। সর্বোপরি তার কথায় সমাজে মেয়েরা যখন ভার্চুয়াল মিটিংয়েও নিরাপদ নয় তাহলে বাইরে নিরাপদ থাকবেন কি করে।






